বিজ্ঞাপন

নড়াইলে কৃষি ব্যাংকের পে-অর্ডার জালিয়াতি তদন্ত

  • নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা থেকে প্রায় ৮৭ লাখ টাকার নন-এমআইসিআর পে-অর্ডার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
  • ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা গোপনে পে-অর্ডারটি সরিয়ে জালিয়াত চক্রের হাতে তুলে দেন।
  • পরে জাল স্বাক্ষর ও সিল ব্যবহার করে সেটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে জমা দেওয়া হয়।
নড়াইলে কৃষি ব্যাংকের পে-অর্ডার জালিয়াতি তদন্ত
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

নড়াইলকন্ঠ : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখা থেকে ৮৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের একটি নন-এমআইসিআর পে-অর্ডার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযোগের তীর উঠেছে শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে সাতক্ষীরা মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা এনামুল কবির ওরফে ইমন চলতি বছরের ১০ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কালিয়া শাখায় দ্বিতীয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার জিম্মায় গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দলিল ও নন-এমআইসিআর পে-অর্ডার সংরক্ষিত ছিল। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ অফিস শুরুর আগেই তিনি শাখায় প্রবেশ করেন এবং একটি পে-অর্ডারের পাতা সরিয়ে ফেলেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিষয়টি শনাক্ত করা হয়। ওই পে-অর্ডারে অন্য শাখার নাম ব্যবহার করে জাল স্বাক্ষর ও সিল সংযুক্ত করা হয়। পরে সেটি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি) সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে জমা দেওয়া হয়। নগদায়নের জন্য পে-অর্ডারটি ঢাকায় ব্যাংকের স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে পাঠানো হলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর কালিয়া শাখার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। 

অভিযুক্ত কর্মকর্তা দাবি করেছেন, দলিলপত্র তার দায়িত্বে থাকলেও তিনি কোনো জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত নন। অন্যদিকে, ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

কালিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন