বৈঠকে সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন সুজন খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান রঞ্জু। তিনি জানান, তৃণমূল নাগরিকদের মতামত ও সুপারিশ সংগ্রহ করে তা প্রস্তাবনা আকারে নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরণই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা সুজন কর্তৃক সরবরাহকৃত কীনোটস পেপার মনোযোগ দিয়ে পর্যালোচনা করেন।
আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নড়াইল-২ (৯৪) আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. মনিরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এস এ মতিন, সাবেক পৌর মেয়র জুলফিকার আলী, আব্দুল হাই সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরহাদ জগলু, লোহাগড়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়তুজ্জামান, ব্যবসায়ী শাহিনউল্লাহ মোহন, খোন্দকার আল মনছুর বিল্লাহ্, আফরোজা খানম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি মেহেদীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ব্যক্তিরা।
বৈঠক থেকে যে সুপারিশগুলো উঠে আসে:
- একদিনের পরিবর্তে ২–৩ দিনে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা বিবেচনা
- নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ রাখা
- প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা
- পর্যবেক্ষকদের অবাধে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ
- ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
- পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা
- নির্বাচন কমিশনকে সকল প্রকার ক্ষমতায় শক্তিশালী করা
- কালো টাকা, ঘুষ ও সন্ত্রাসমুক্ত ভোটব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা
- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের নৈতিক শিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা
- ভোটকেন্দ্রে সব ভোটারের জন্য অবাধ ও নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি