মাদারীপুর
মাদারীপুরে ২৫ গ্রামের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদ্যাপন করেছেন। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় জেলার সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের তাল্লুক এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। এখানে ঈদের নামাজে ইমামতি করেন স্থানীয় মৌলভী বাড়ি মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলায় আজ ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছেন মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা। এর বাইরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শতাধিক গ্রামে একই সময়ে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেন দরবার শরিফের অনুসারীরা। হানাফি মাযহাব অনুসরণ করে প্রতিবছর হজের পরদিন ঈদ পালন করেন তাঁরা।
মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মোহাম্মদ মছউদুর রহমান জানান, দরবার শরিফের অনুসারীরা দুই শতাধিক বছর ধরে এই ধারায় ঈদ উদ্যাপন করে আসছেন।
আজ সকাল সাড়ে সাতটায় উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ গ্রামে ঈদ প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া চন্দনাইশের জাঁহাগিরিয়া শাহছুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারীরা আজ দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রায় ৬০ গ্রামে ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছেন। সকাল সাতটায় প্রধান ঈদের জামাত চন্দনাইশ শাহছুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাঁহাগিরিয়া শাহছুফি মমতাজিয়া দরবারের পীর সৈয়্যদ মাওলানা মোহাম্মদ আলী।
রাজশাহী
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফকিরপাড়া মহল্লার মুসলিম জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়েছে। সকাল আটটার দিকে মসজিদের ছাদে ঈদের নামাজে অংশ নেন ১১ জন। নামাজের ইমামতি করেন মো. আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘পুরো পৃথিবীর আকাশ একটা। চাঁদও একটা। আমরা সবাই নিজে নিজে যার যার সময় অনুযায়ী করে থাকি। আমরা যে আজ ঈদের নামাজ পড়লাম, আমাদের কাছে শক্ত দলিল আছে। আগামীকাল যারা পড়বে, তাদেরও আছে।’

