বিজ্ঞাপন

‘কৃষি বন্ধু’ অ্যাপ উদ্ভাবন: জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা দশে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

  • কৃষিভিত্তিক উদ্ভাবনী অ্যাপ ‘কৃষি বন্ধু’ তৈরি করে জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ দেশসেরা দশে স্থান অর্জন করেছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জোবায়দা রহমান।
  • কৃষিভিত্তিক উদ্ভাবনী অ্যাপ ‘কৃষি বন্ধু’ তৈরি করে জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ দেশসেরা দশে স্থান অর্জন করেছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জোবায়দা রহমান।
‘কৃষি বন্ধু’ অ্যাপ উদ্ভাবন: জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা দশে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

নড়াইলকণ্ঠ ডেস্ক:  কৃষিভিত্তিক উদ্ভাবনী অ্যাপ ‘কৃষি বন্ধু’ তৈরি করে জাতীয় পর্যায়ে সেরা দশে স্থান অর্জন করেছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিয়ে বিদ্যালয়টি দেশসেরা উদ্ভাবনগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি নবম স্থান অর্জন করে।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান

পুরস্কার গ্রহণ করেন নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্ভাবনী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী, নূরে আলম জাহিদ এবং বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থী দলের নেতৃত্ব দেন দৈনিক পূর্বাঞ্চল ও স্টার টিভির নড়াইল জেলা প্রতিনিধি, নড়াইল প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মো. আব্দুস সাত্তাররনজিনা খানম-এর কন্যা, বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী নাজিফা জান্নাত সৃষ্টি

বিজ্ঞাপন

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিবিড় দিকনির্দেশনা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘কৃষি বন্ধু’ অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম-এর আওতায় প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে উপজেলা/থানা, জেলা এবং জাতীয়—এই তিন ধাপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের ৫২১টি উপজেলা ও মহানগরীর শিক্ষা থানায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৮ হাজার ২৯টি দলে ২৭ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী এবং ১৬ হাজার ৫৮ জন শিক্ষক অংশ নেন। পরে উপজেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত ৫৪৬টি দল জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করে। সেখান থেকে বাছাই হয়ে ১০১টি দল জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়।

জাতীয় পর্যায়ে কিশোর ও তরুণদের বিজ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশের এই আয়োজনে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্য জেলার শিক্ষা অঙ্গনের জন্য একটি গৌরবজনক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন