শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকের আয়োজন করে ডেভেলপমেন্ট এক্টিভিটিস অফ সোসাইটি (ডাস্)।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, দেশে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতা কমাতে কার্যকর কর কাঠামো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে নিম্নমূল্যের তামাকপণ্যের ওপর উচ্চ কর আরোপের মাধ্যমে তরুণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে তামাকজনিত রোগে চিকিৎসা ব্যয় ও অকাল মৃত্যুহার কমাতেও শক্তিশালী করনীতি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. রুমানা হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. এনামুল হক। তারা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
গোলটেবিলে ডাস্-এর তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় অ্যাসোসিয়েট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ মুকুলও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকার, গবেষক ও নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করলে ভবিষ্যতে একটি তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
জাতীয় বাজেটে তামাক কর বাড়িয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার দাবি
- আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে তামাকপণ্যে কার্যকর কর আরোপ ও মূল্য বৃদ্ধি করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
- তামাক ব্যবহার কমাতে শক্তিশালী কর কাঠামো বাস্তবায়ন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
- আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে তামাকপণ্যে কার্যকর কর আরোপ ও মূল্য বৃদ্ধি করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। তামাক ব্যবহার কমাতে শক্তিশালী কর কাঠামো বাস্তবায়ন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এফসিটিসি নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।