শনিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সহিংসতার ঘটনায় আটক সাধারণ ছাত্রদের মুক্ত করে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হবে।
তিনি বলেন, গণভবনের দরজা শিক্ষার্থীদের জন্য সব সময় খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। সব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। আমি আর সংঘাত চাই না।
প্রসঙ্গত, সরাদেশে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুক্রবারও গণমিছিল করেছে। গতকালের গণমিছিলে কবি-সাহিত্যিক, শিক্ষক-চিকিৎসক, শিল্পী কলাকুশলীসহ বিভিন্নস্তরের শ্রেণিপেশার মানুষও সংহতি জানিয়ে অংশ নিয়েছে। ঢাকার উত্তরা, খুলনা, হবিগঞ্জ ও সিলেটে গনমিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। লক্ষ্মীপুর, নরসিংদীসহ বিভিন্ন স্থানের গণমিছিলে হামলা ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। গণমিছিলে হামলার প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবিতে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং রোববার থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।