২০ রমজানের মধ্যে বেতন-বোনাস প্রদানের দাবি পোশাক শ্রমিকদের
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।
ঢাকা ওয়াসার আলোচিত সদ্য পদত্যাগ করা ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে কমিশনের অনুমোদনক্রমে অনুসন্ধান কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ সংক্রান্ত চিঠি আদালত ও পুলিশের বিশেষ শাখায় চিঠি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ২৩ মে ওয়াসায় অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে মামলার অনুমোদনের জন্য সুপারিশ চেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছিল দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অনুসন্ধানে পরিচালক (উন্নয়ন) ও পরিচালক (কারিগর) এই দুটি পদ ওয়াসার অর্গানোগ্রামে না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটির এমডি প্রভাব খাটিয়ে দুজনকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রমাণ পাওয়া যায়। আর চার বছরের বেশি সময় ধরে তাদের বেতন বাবদ ১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ হওয়ায় এই পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয় প্রতিবেদনে।অবৈধ নিয়োগ দিয়ে তারা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন উল্লেখ করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান ও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুপারিশ করে কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছিল। যদিও অদৃশ্য কারণে মামলা অনুমোদন হয়নি সে সময়।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা ওয়াসার পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্গানোগ্রাম বহির্ভূত ও ঢাকা ওয়াসায় বৈধ কোনো পদ সৃষ্টি না করে এবং নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা ও প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ না করে নিজেদের পছন্দের দুজন ব্যক্তিকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে।
ওয়াসার ২৫২তম বোর্ডসভায় তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। উক্ত বোর্ডসভার চেয়ারম্যান ছিলেন অধ্যাপক প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান। বোর্ডের ৮ জন সদস্য হলেন- অতিরিক্ত সচিব (অবসর) সুধাংশু শেখর বিশ্বাস, এফসিএ ভাইস প্রেসিডেন্ট মু. মাহমুদ হোসেন, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সভাপতি প্রকৌশলী একেএম হামিদ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত আসন-১২ এর তৎকালীন কাউন্সিলর আলোয়া সারোয়ার ডেইজি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হাসিবুর রহমান মানিক এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। তারাই মূলত এ অবৈধ নিয়োগের পক্ষে মতামত প্রদান করেছেন। তারা অবৈধ নিয়োগ দিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই কারণে মামলায় বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রকৌশলী তাকসিম খানসহ ৭ জন সদস্য ও চাকরি গ্রহণকারী দুজনসহ মোট ১০ জনকে আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে সুবিধাভোগী হিসেবে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে নিয়োগ পান প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। এরপর একাধিকবার সময় বাড়িয়ে ওই পদে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বারবার নিয়োগবিধি অমান্য করার অভিযোগ উঠে। এ ছাড়া ওয়াসার এমডিসহ অন্যদের বিরুদ্ধে সংস্থাটির পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা, গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা, দাশেরকান্দি পয়োশোধনাগার প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা, গুলশান-বারিধারা লেক দূষণ প্রকল্পে ৫০ কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকসহ সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে জবাবদিহিতার পরিধি নির্ধারণ করা হবে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংবিধান সংস্কার বা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।