• 23 Feb, 2024

তামাক নিয়ন্ত্রণে নড়াইল পৌরসভায় ৩টি গণবিজ্ঞপ্তি

তামাক নিয়ন্ত্রণে নড়াইল পৌরসভায় ৩টি গণবিজ্ঞপ্তি

‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের আশেপাশে ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধকরণ, পাবলিক প্লেসে ও পরিবহণকে ধূমপান এলাকা ঘোষণা এবং তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে’ নড়াইল পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ওহাবুল আলমের স্বাক্ষরে এমন শর্ত বেধে তিনটি গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তি সমূহে বলা হয়েছে, নড়াইল পৌরসভা এর আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের আশেপাশের ১০০ মিটারের মধ্যে সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্য (বিড়ি, সিগারেট, গুল, জর্দা ইত্যাদি) ব্যবহার, বিক্রয়, বিজ্ঞাপন ও প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত নির্দেশ লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্য একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নড়াইল পৌরসভা এর কার্যালয়সহ এর আওতাধীন ও ব্যবস্থাপনাধীন সকল পাবলিক প্লেসে ও পরিবহনকে “ধূমপান মুক্ত এলাকা” হিসেবে ঘোষণা করা হলো। বিষয়টি সকলের অবগতির জন্য জানানো হলো এবং নড়াইল পৌরসভার প্রধান কার্যালয় সহ সকল অফিস ধূমপানমুক্ত রাখতে অনুরোধ করা হলো।

অন্য একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নড়াইল পৌরসভা এর আওতাধীন সকল ব্যবসায়িদের, সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্য (বিড়ি, সিগারেট, গুল, জর্দা, সাদাপাতা ইত্যাদি) বিক্রয়ের জন্য পৌরসভা হতে পৃথকভাবে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে এবং লাইসেন্স ব্যতিত্ব কোনভাবেই তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় করা যাবে না। তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে “শুধুমাত্র বাংলাদেশে বিক্রয়ের জন্য অনুমোদিত” লেখা ব্যতিত তামাকজাত দ্রব্য বা ই-সিগারেট/ভেপিং/ইলেক্ট্রনিক-সিগারেট বিক্রয় নিষিদ্ধ। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত নির্দেশ লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বিজ্ঞপ্তি গত ২৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে শহর প্রদক্ষিণ করে দেখা যায় নড়াইল শহর প্রাইমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ ওয়ালে বিড়ি, সিগারেট জর্দা সব ধরণের তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় হচ্ছে, পাশাপাশি বয়েজ স্কুলের জাস্ট রাস্তার দক্ষিণ পাশে আরও একটি দোকানে বিড়ি সিগারেট বিক্রয় হচ্ছে। এসব দোক ১০০ মিটারের আওতায় পড়ে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বেরসাকারি ক্লিনিক , হাসপাতালের পাশ দিয়ে যেসব দোকান রয়েছে সেখানেও বিক্রয় করতে দেখা গেছে তামাকজাত দ্রব্য বিড়ি, সিগারেট, জর্দা ইত্যাতি।