ভুক্তভোগী গৃহবধূ নাসিমা বেগম বর্তমানে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের ষড়াতলা গ্রামের ইজিবাইকচালক দুখু মোল্যার স্ত্রী।
জানা গেছে, ইজিবাইকচালক দুখু মোল্যা সম্প্রতি তার চাচাতো ভাই শাহীন মোল্যার কাছ থেকে বাড়ি সংলগ্ন ১১ শতাংশ জমি কেনে। তবে জায়গাটি কম দামে কেনার আশায় প্রতিবেশী শাহেদ মোল্যা ওই জমি নিজের দখলে রেখেছিলেন। কিন্তু শাহীন ওই জমি প্রস্তাবিত দামে বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হন শাহেদ। এর জেরে রবিবার (২ জুন) সকাল ১০টার দিকে নাসিমা বেগম ও তার পরিবারকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করায় শাহেদ মোল্যা, তার ভাই শান্ত মোল্যা ও তাদের মা লিপি বেগম (৫০) এসে নাসিমা বেগমকে চড়-থাপ্পড় ও পেটে লাথি মারে। এতে নাসিমার গর্ভের সন্তান মারা যায়।
গর্ভের শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নড়াইল সদর হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ সুব্রত বাগচী বলেন, ‘গৃহবধূর অবস্থা এখন আশঙ্কামুক্ত।’
মামলার বাদী দুখু মোল্যা বলেন, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন আমার কেনা জায়গাটি কম টাকায় কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু তা পারেনি। আমরা কেন কিনলাম, এটাই তাদের রাগ। আমি আমার সন্তান হত্যার সঠিক বিচার চাই।’
জামলার বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গর্ভের সন্তান হত্যার ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ঘটনার পর আসামিরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’