• 17 Jun, 2024

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুলতান হোসেন খান এর উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুলতান হোসেন খান এর উপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

দেশজুড়ে চলমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে......"দোয়াত -কলম" প্রতীকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ঐতিহ্যবাহী বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি

খুলনার মেজর ডোনার মেম্বর ও উপদেষ্টা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সংগঠক-  আলহাজ্ব রোটারিয়ান সুলতান হোসেন খানের উপর ১৪.০৫.২৪ তারিখ সন্ধ্যায়.... তার পূর্ব নির্ধারিত প্রচারণা সভায়.... প্রতিপক্ষ দুষ্কৃতিকারীদের  ন্যাক্কার  জনক বর্বরোচিত হামলা করে ...... প্রার্থী সুলতান খানসহ বহু নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে  মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত  আহত করার..... কাপুরুষোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা , ক্ষোভ প্রকাশ ও প্রতিপক্ষ দুষ্কৃতিকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন...... বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি,খুলনার নেতৃবৃন্দ।
এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন...... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় সিদ্ধান্তে..... নির্দলীয় ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের ঘোষনায়...... সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে...... আশার সঞ্চার  হয়েছে এবং মানুষের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেয়ার আগ্রহ বেড়েছে।
সে কারণে...... আলহাজ্ব সুলতান হোসেন খানের মতো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক..... একজন প্রজ্ঞাবান, সুধীজন, সাদা মনের মানুষ নির্বাচনে  প্রার্থী হয়েছেন।  
ঝালকাঠি সদর উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা থাকায়....... প্রতিপক্ষ প্রার্থী তার অর্থ-বিত্ত ও পেশী শক্তি ব্যবহার করে..... বিভিন্ন সময়ে সুলতান হোসেন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় হুমকি -ধামকি ও নানা রকম প্রতিবন্ধকতা  সৃষ্টি করে যাচ্ছে।  এসব অপকর্মের মাধ্যমে সুলতান হোসেন খানের জনপ্রিয়তা কমাতে ব্যর্থ ও ভীত  হয়ে...... ১৪ তারিখ সুলতান খানের পূর্ব নির্ধারিত একটি নির্বাচনী মতবিনিময়  সভায়.......লেলিয়ে দেয়া  দুষ্কৃতিকারী গুন্ডাবাহিনী হামলা চালিয়ে তাণ্ডব সৃষ্টি করে.... জনমনে ভীতির সঞ্চার করেছে।
এ ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা প্রতিহত ও প্রতিরোধ করতে না পারলে..... প্রশাসনের উপর জনগণের আস্থা লোপ পাবে..... জনগণের মধ্যে নির্বাচনী  আগ্রহ হারিয়ে যাবে...... এবং ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হবে। ফলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ব্যাহত হবে...... এবং দেশ-বিদেশে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি  ক্ষুন্ন হবে।

   সুতরাং অবিলম্বে কঠোর  প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং   উক্ত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে..... দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন....সমিতির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন..... সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এডভোকেট আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদার, ফিরোজ আলম খান,রাজনীতিবিদ  শফিকুল ইসলাম মধু, দৈনিক বর্তমান সময়ের সম্পাদক করীর আহমেদ,রাজনীতিবিদ  আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ , আলহাজ্ব রোটারিয়ান  আলতাফ হোসেন, এম এ সালাম, সরদার মিজানুর রহমান, আলহাজ্ব চ.ম মুজিবর রহমান, প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান শামীম, মোঃ হুমায়ুন কবীর খান  প্রমুখ ও নেতৃবৃন্দ।