• 21 May, 2024

জামালপুরে সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না পেঁয়াজ-আলু-ডিম

জামালপুরে সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না পেঁয়াজ-আলু-ডিম

আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও জামালপুরে সেই দামে মিলছে না এসব নিত্যপণ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি কেজি আলুর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা এবং ফার্মের মুরগির প্রতিটি ডিম ১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে জামালপুরের হাটবাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশিতে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে।


আজ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) জামালপুর জেলা শহরের সকাল বাজার ও শফি মিয়ার বাজার ঘুরে দেখা যায় বেশির ভাগ দোকানেই নেই পণ্যের মূল্যতালিকা। আবার কিছু কিছু দোকানে তালিকা থাকলেও সেই দামে বিক্রি হচ্ছে না।

সকাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে আলু প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা, পেঁয়াজ (দেশি) ৭০-৭৫ টাকা এবং ডিম ১২-১৩ টাকা দরে। শফি মিয়ার বাজারে বিক্রি হচ্ছে আলু প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকা। তবে ডিম ১২ টাকা দরেই বিক্রি হয়েছে। এছাড়া কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, রসুন ১৪০ টাকা, আদা ২৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, শসা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সরকার দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও সেই দামে পণ্য না পেয়ে হতাশ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে প্রশাসন বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের কেউ অভিযান করেনি।

 

সকাল বাজারে আসা নাজমুল নামের এক ক্রেতা  বলেন, ৫০ টাকার কমে কোনো আলু নেই। ৩ কেজি আলু কিনেছি ১৫০ টাকা দিয়ে। পরে বিক্রেতা পাঁচ টাকা কম রেখেছেন। সরকার যে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল তার খবর পড়েছিলাম। কিন্তু বাজারে তার কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। আগে যে দাম ছিল এখনো তাই আছে।

হৃদয় নামের সকাল বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, আলু ৪৫-৫০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। দাম কমেছে কি না আমরা জানি না। পাইকারি আলু কেনা আমাদের ৪০ টাকার উপরে।‌ পেঁয়াজ দেশিটা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা কেজি দরে। আমাদের যদি কেনা বেশি পড়ে তাহলে তো বেশি দামে বিক্রি করতেই হবে।


শফি মিয়ার বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল মোল্লা  বলেন, সরকার দাম নির্ধারণ করেছে এটা ভালো। কিন্তু যে দাম নির্ধারণ করেছে সেই দমে পাইকারি আমরা কিনতে পারলে, সেই দামেই বিক্রি করতে পারব।

এ বিষয়ে জামালপুরের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম  বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দাম কিছুটা কমে এসেছে, আরও কমবে। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।