নড়াইলকণ্ঠ : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাজন-ঘশিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ম্যানেজিং (এডহক) কমিটির সভাপতি মুন্সি জাহিদুল হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে প্রাণবন্ত পরিবেশে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তারক চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব আব্দুর রহিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল হক, এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট মো. তারিকুজ্জামান লিটু, বড়দিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন এবং মাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান। এছাড়া বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নবনির্বাচিত সভাপতি মুন্সি জাহিদুল হাসানের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন, বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়নেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সভাপতি, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
বক্তারা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। নতুন কমিটির নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তাঁরা।
সংবর্ধনার জবাবে নবনির্বাচিত সভাপতি মুন্সি জাহিদুল হাসান আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মহাজন ঘশিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার চেষ্টা থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, সুন্দর ও আদর্শ শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানটি শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।