বিজ্ঞাপন

স্বামী হত্যা, টুকরো মরদেহ ফ্রিজে রাখতে গিয়ে গ্রেপ্তার

  • শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করার অভিযোগে আসমা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
  • অভিযোগ, হত্যার পর মরদেহের অংশ ড্রামে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয় এবং কিছু অংশ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়।
  • জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
স্বামী হত্যা, টুকরো মরদেহ ফ্রিজে রাখতে গিয়ে গ্রেপ্তার
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

নড়াইলকণ্ঠ ডেস্ক : দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে গত ১২ মে রাতে স্বামী জিয়া সরদারকে রড দিয়ে আঘাত করেন তার স্ত্রী আসমা আক্তার। আঘাতে জিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে অভিযোগ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হত্যার পর মরদেহ গোপন করতে ছুরি দিয়ে দেহ টুকরো করা হয়। হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়। কয়েকদিন পর মরদেহের অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়—কিছু অংশ নদীর তীরে, আবার কিছু অংশ অন্যত্র ফেলে রাখা হয় বলে জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

পরে মরদেহের মাংসের অংশ ফ্রিজে রাখতে গেলে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত নারীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

বিজ্ঞাপন

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন