স্টাফ রিপোর্টার:
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নড়াইলের আব্দুল হাই সিটি কলেজে আয়োজিত এ সভায় কলেজের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মলয় কান্তি নন্দী।
সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ওপর পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নড়াইলের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান। তিনি আইনের ৫৫টি ধারায় নির্ধারিত শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এবং একজন ক্রেতা ও ভোক্তা হিসেবে নাগরিকদের অধিকার, প্রতারণার শিকার হলে করণীয় এবং সচেতন ভোক্তা হওয়ার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।
উপস্থাপনার পর আলোচনায় অংশ নেন আব্দুল হাই সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ. এম. ফরহাদ জগলুল, সহকারী অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান লিটুসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
আলোচনায় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা খাত, অনলাইন পণ্য কেনা-বেচা এবং বিভিন্ন সেবায় প্রতারণার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। বক্তারা বলেন, এসব ক্ষেত্রে কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ, অনলাইন পণ্য কেনা-বেচা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নিরাপদ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এবং স্থানীয় প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
সভায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে যে কোনো পণ্য বা সেবা কেনার সময় ভোক্তা অধিকার আইন স্মরণ রেখে সচেতনভাবে কেনাকাটা করার অঙ্গীকার করেন।
এ সময় আব্দুল হাই সিটি কলেজ ও পৌর সিটি স্কুলের শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং ক্যাব নড়াইল জেলা শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নড়াইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান।