এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিংকন বিশ্বাস প্রমূখ।
জেলায় বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাস ও নাশকতা ও তার প্রতিরোধের প্রেক্ষপট উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানবাধিকার কর্মী কাজী হাফিজুর রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও নড়াইল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলার সভাপতি সহকারি অধ্যাপক মলয় কান্তি নন্দী, বিটিভি’র প্রতিনিধি ও সাবেক নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবীর টুকু প্রমূখ।
এ সময় নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা এলাকায় বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা, ১৭ আগষ্ট বিএনপি-জামাতের সিরিজ বোমা হামলার বর্বণা, রাজাকার কাদের মোল্যার ফাঁসি রায় কার্যকর করা এবং বিএনপি-জামাতের লাগাতার ৯০ দিনের হরতাল-অবরোধে বিরাজমান নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রতিহত করতে নড়াইলের উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন বক্তরা।
সভায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে সামনে রেখে জেলা পর্যায়ের অন্যান্য সকল কর্মকর্তা, সকল উপজেলা চেয়ারম্যান, সকল ইউএনও, র্যাব/বিজিবি, সরকারি কলেজ সমূহের অধ্যক্ষবৃন্দ, সকল মেয়র, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/সেক্রেটারী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, রূপগঞ্জ বাজার বনিক সমিতর সভাপতি/সেক্রেটারী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি/সেক্রেটারী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি/সেক্রেটারী, জাতীয় মহিলা সংস্থা, মহিলা পরিষদ, চেম্বর অব কমার্স, ইমাম/মোয়াজ্জিম কল্যাণ সমিতি/ প্রেসক্লাবসহ অন্যান্য সমমনা ব্যক্তিদের নিয়ে জেলা কমিটি গঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক অনুরূপভাবে সকল উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুত "সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ" কমিটি গঠন ও কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের নির্দেশ দেন।