এসময় বক্তব্য দেন- স্কুল পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খালিদ হাসান, অভিভাবক সদস্য তৌহিদ মিনা, নূর নাহারসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেফালী খানমের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রী ভর্তি এবং ছাড়পত্রে ১০০ থেকে ৫০০ করে টাকা নেন তিনি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় গাইড বই দেখে ছাত্রছাত্রীদের লেখতে দেয়া হয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে টয়লেট পরিষ্কারসহ ভবনের ভেতর এবং আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করানো হয়। শিক্ষকদের সঙ্গেও চরম দুর্ব্যবহার করেন। এছাড়া প্রতিবছর সব শ্রেণির পুরানো বই বিক্রি করে দেন। কোনো সময় শিক্ষার্থীদের একটি বা দুইটি বই হারিয়ে গেলে তাকে আর কোনো বই দেয়া হয় না। আমরা অবিলম্বে প্রধান শিক্ষক শেফালী খানমের অপসারণ ও শাস্তি চাই।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষক শেফালী বেগমের কক্ষে গেলে তিনি কথা বলেননি। এসময় দ্রুতগতিতে নিচতলার অফিস কক্ষ থেকে দ্বিতীয় তলায় শ্রেণীকক্ষে ঢুকে পড়েন তিনি।
এব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধান শিক্ষক শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে।