বিজ্ঞাপন

নড়াইলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

  • স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য জাতীয়…
  • ন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে…
  • নড়াইলে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নড়াইলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় নড়াইল সিভিল সার্জন অফিসের কনফারেন্স রুমে এ সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নড়াইল সিভিল সার্জন অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ। এ সময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় নড়াইল জেলার সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলা এবং নড়াইল ও কালিয়া পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৯০ হাজার ৬০৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১১ হাজার ৮৪৪ জন শিশুকে নীল রঙের (১ লক্ষ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭৮ হাজার ৫৬২ জন শিশুকে লাল রঙের (২ লক্ষ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বিজ্ঞাপন

জেলায় ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে মোট ১ হাজার ২০টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ৯৬১টি নির্ধারিত কেন্দ্র, ৫টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ৫৪টি অতিরিক্ত কেন্দ্র থাকবে। এসব কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন ২ হাজার ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক, ২৫০ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ১২০ জন সুপারভাইজার।

উপজেলাভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নড়াইল সদরে ২৯ হাজার ৭৩২ জন, লোহাগড়ায় ২৯ হাজার ১৯২ জন, কালিয়ায় ২৫ হাজার ৩৮৮ জন, নড়াইল পৌরসভায় ৯ হাজার ৮২৭ জন এবং কালিয়া পৌরসভায় ২৩ হাজার ৪৫৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ বলেন, শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি নির্ধারিত বয়সী শিশুদের অভিভাবকদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলার সকল অভিভাবককে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন