রোববার (০৪ আগস্ট) আওয়ামী লীগের পূর্ব ঘোষিত জমায়েত কর্মসূচি সফল করতে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় সামনে বেলা ১১টার দিকে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়।
এরপর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশব্যাপী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও এক দফা দাবির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগনে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
বিক্ষোভ মিছিলটি শেখ রাসেল সেতুর পূর্বপারে গিয়ে পৌঁছালে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিলের উপর সম্প্রতি নিষিদ্ধ জামায়াত-শিবির ও বিএনপি’র লোকজন হামলা চালায়। এ সময় তারা শাতাধিক ককটেল বোমা নিক্ষেপ ও কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায়।
এ অবস্থায় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া আক্রমন প্রায় ৪ ঘন্টাব্যাপী চলতে থাকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
এ ঘটনায় (এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) ছাত্রলীগের প্রিন্স নামের একজনের পেটে গুলি লেগে গুরুতর আহত হন এবং ছাত্রলীগের আকাশ ঘোষ সহ আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরে তাদের নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানাযায়, এ ঘটনায় আউড়িয়া ইউনিয়নের মালিবাগ মোড় এলাকায় আর্মি ক্যাম্পের পাশে থাকা একটি পুলিশ বক্সে আগুন লাগায় দূবৃত্তরা।
উল্লেখ্য গতকাল শনিবার (০৩ আগস্ট) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এ সময় তিনি আরও জানান, রোববার ঢাকা সিটির সব ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জমায়েত এবং বাংলাদেশের সকল জেলা ও মহানগরীতে জমায়েত। আর ৫ আগস্ট আমরা আমাদের সেই কর্মসূচি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত শোক মিছিল করবো।