বিজ্ঞাপন

নড়াইলে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকার প্রতারণা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • নড়াইলে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জেসমিন খানম (৫৬)।
  • বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নড়াইল চৌরাস্তা এলাকায় আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং সন্ত্রাসী চক্রের হাত থেকে নিজের জীবনের নিরাপত্তা দাবি করেন।
  • নড়াইলে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জেসমিন খানম (৫৬)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নড়াইল চৌরাস্তা এলাকায় আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং সন্ত্রাসী চক্রের হাত থেকে নিজের জীবনের নিরাপত্তা দাবি করেন।
নড়াইলে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকার প্রতারণা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

নড়াইলে পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ৩ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার ১১৫ টাকা আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্র ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল চৌরাস্তা এলাকায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী জেসমিন খানম (৫৬)। তিনি লোহাগড়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কুন্দসি গ্রামের মনিরুজ্জামানের স্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেসমিন খানম জানান, লোহাগড়া থানার গোপীনাথপুর (কাড়াল পাড়া) গ্রামের ফাল্গুনী সিকদার রিমি ওরফে সাবা (২৩), তার মা কুনু রানী সিকদার এবং বোন শ্রাবনী সিকদারের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক সুসম্পর্ক ছিল। ২০১৯ সালে ফাল্গুনী জানান, যশোরের কোতয়ালী থানার বেজপাড়া এলাকার আনন্দ কুমার সরকার তার স্বামী এবং তারা অত্যন্ত ধনাঢ্য।
​পরবর্তীতে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ফাল্গুনী অসুস্থতার কথা বলে চিকিৎসার খরচের জন্য আনন্দ বাবুর পাঠানো টাকা জেসমিন খানমের বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করতে শুরু করেন। ব্যাংক ও বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরের মাধ্যমে আনন্দ কুমার সরকার সর্বমোট ৩ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার ১১৫ টাকা পাঠান, যা জেসমিন খানম তুলিয়া ফাল্গুনীদের হাতে তুলে দেন।

বিজ্ঞাপন

​তবে সম্প্রতি টাকা পাঠানো বন্ধ হলে প্রতারক চক্রটি সমস্ত দোষ জেসমিন খানমের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে। একই সাথে ৪ ও ৫ নং অভিযুক্ত কাজল শেখ ও আলপনা রাসেল শেখ তাকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

​সর্বশেষ গত ২৬ জুন ২০২৬ তারিখে যশোর আদালতে মামলা (সি.আর- ১৭২৪/২৬) হওয়ার খবর পেয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায় এবং জেসমিন খানমকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি গত ২৭ জুন লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১৪১৫) দায়ের করেন।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি সাংবাদিক সমাজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দেশবাসীর কাছে এই প্রতারক চক্র ও তাদের সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আকুল আবেদন জানান।

বিজ্ঞাপন