লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রাম মধুমতী নদীরভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।
ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, বিভিন্ন স্থাপনা, শত শত বিঘা আবাদি জমি, গাছপালা, রাস্তাঘাট, এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের খুঁটিও।
লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রাম মধুমতী নদীরভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, বিভিন্ন স্থাপনা, শত শত বিঘা আবাদি জমি, গাছপালা, রাস্তাঘাট, এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের খুঁটিও।
ন
নড়াইল কণ্ঠ ডেস্কনিজস্ব প্রতিবেদক
·1 min read·১ বার পড়া হয়েছে
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ
ভাঙনের মুখে পড়ে অনেকেই বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের কয়েকশ পরিবার।
স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার মধুমতী নদীর ভাঙনের শিকার হয়েছেন এখানকার মানুষ। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড মধুমতী নদীর শিয়রবর পয়েন্টে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেললেও তা এ বছর কাজে আসছে না। রামকান্তপুর গ্রামের তোতা মিয়া জানান, ইতিপূর্বে তাদের ৫ বিঘা জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। এ পর্যন্ত তিন বার ভাঙনের শিকার হয়েছেন তিনি। এবারও ভাঙনের মুখে রয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিকুল আলম জানান, মধুমতী নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, আবাদি জমি, মাদ্রাসা, মসজিদ ভাঙনের শিকার হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে নদীগর্ভে পুরোএলাকা বিলীন হয়ে যাবে। তিনি মধুমতী নদীর ভাঙন রোধে জাতীয় সংসদের হুইপ মাশরাফী বিন মোর্তজাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, লোহাগড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের ভাঙনরোধে আপাতত কোন বরাদ্দ নেই, এ কারণে কোনো ধরনের কাজ করতে পারছি না।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এই সাইট ব্যবহার করে আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতিতে সম্মত হচ্ছেন।