বিজ্ঞাপন

কৃষি বন্ধু অ্যাপসে জেলা চ্যাম্পিয়ন নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়

  • শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • কৃষি বিষয়ক উদ্ভাবনী অ্যাপস ‘কৃষি বন্ধু’ উপস্থাপন করে তারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
  • শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। কৃষি বিষয়ক উদ্ভাবনী অ্যাপস ‘কৃষি বন্ধু’ উপস্থাপন করে তারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
কৃষি বন্ধু অ্যাপসে জেলা চ্যাম্পিয়ন নড়াইল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করতে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এ নড়াইল জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের যৌথ উদ্যোগে তৈরি কৃষি বিষয়ক উদ্ভাবনী অ্যাপস ‘কৃষি বন্ধু’ বিচারকদের মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ প্রকল্প হিসেবে নির্বাচিত হয়।

রবিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় জেলার তিন উপজেলার উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী বিদ্যালয়গুলো অংশগ্রহণ করে।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্প প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগীরা তাদের সৃজনশীল ধারণা তুলে ধরেন। বিচারকদের মূল্যায়নে নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম স্থান অর্জন করে জেলা চ্যাম্পিয়নের গৌরব লাভ করে। অপরদিকে লোহাগড়া উপজেলার মরিচপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

বিজ্ঞাপন

চ্যাম্পিয়ন দলের নেতৃত্ব দেন বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী। দলের অন্যান্য সদস্য ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূর-এ-আলম জাহিদ এবং শিক্ষার্থী নাজিফা জান্নাত, অণু বিশ্বাস ও অন্বেষা মিত্র।

দলটির উদ্ভাবিত ‘কৃষি বন্ধু’ অ্যাপসটি কৃষকদের জন্য একটি সহায়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। উদ্ভাবকরা জানান, অ্যাপসটির মাধ্যমে কৃষকরা কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবা পেতে পারবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সমস্যা সমাধান এবং কৃষকদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ অর্জন করেছিল। জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।

প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান। নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিনা সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব মোরশেদ জাপল, নড়াইল আব্দুল হাই সিটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষাবিদ মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক এবং নড়াইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশিদ লাবলুসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন, কৃষির আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের এমন সৃজনশীল উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন