বিজ্ঞাপন

বীর মুক্তিযোদ্ধা রানা চলে গেলেন না ফেরার দেশে

  • নড়াইল পাক হানাদারমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন রানা ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা।
  • জীবনযুদ্ধে হারিয়ে তিনি চলে গেলে না ফেরার দেশে (ইন্না লিল্লাহি—-রাজেউন)।
  • নড়াইল পাক হানাদারমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন রানা ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা। জীবনযুদ্ধে হারিয়ে তিনি চলে গেলে না ফেরার দেশে (ইন্না লিল্লাহি—-রাজেউন)।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রানা চলে গেলেন না ফেরার দেশে
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

নড়াইলকণ্ঠনড়াইল পাক হানাদারমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন রানা ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা। জীবনযুদ্ধে হারিয়ে তিনি চলে গেলে না ফেরার দেশে (ইন্না লিল্লাহি—-রাজেউন) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

গত শুক্রবার (২৪ মার্চরাত ২টার দিকে তিনি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লি ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।

গত শনিবার (২৫ মার্চজোহর বাদ নামাজের পর তার জানাজা শেষে খড়রিয়া গ্রামের মোল্যা পাড়া গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। দাফনের আগে পেড়লি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই খায়রুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এই বীর যোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সালাম প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

 সময় কালিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমিআফরিন জাহানমুক্তিযোদ্ধা  এলাকার গণমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যকালে তিনি স্ত্রী  পুত্র   কন্যা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লখ্য১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর নড়াইল পাকহানাদার মুক্ত হয়। এদিন পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যেকজন যোদ্ধা সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে সাখাওয়াত হোহেন রানা ছিলেন অন্যতম।

বিজ্ঞাপন