• 19 Jun, 2024

যেভাবে হবে কোরবানির পশুর হাটে ক্যাশলেস লেনদেন

যেভাবে হবে কোরবানির পশুর হাটে ক্যাশলেস লেনদেন

ঢাকার পর নগরীর দুই কোরবানি পশুর হাটে থাকছে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা। বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) যৌথ প্রচেষ্টায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। আগামী ২০ জুন চসিক কার্যালয়ে এর উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চসিকের এস্টেস অফিসার মো. রেজাউল করিম জানান, ‘ব্যাংকের বুথের পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকও থাকবে। ইজারাদারদের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছি। এতে পশু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ে ঝুঁকিহীন লেনদেন করতে পারবেন।’ চসিক সূত্র জানিয়েছে, এবার প্রাথমিকভাবে সাগরিকা গরুর হাট এবং নুরনগর হাউজিং গরুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন বুথ চালুর বিষয় চূড়ান্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দুই বাজারে দুই বুথে এটিএম মেশিন, মোবাইলে আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সুবিধা পাবেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এক্ষেত্রে ইজারাদার বা প্রান্তিক কৃষককে টাকা উত্তোলন করতে কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না। সাধারণত কোরবানি পশুর হাটগুলো ক্যাশ টাকায় লেনদেন হয়। ফলে অধিক টাকা বহনের ঝুঁকি, ছ্যাড়া নোট ও জাল নোটের ঝামেলা থেকে যায়। সেক্ষেত্রে ব্যাংকের বুথের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন করলে এসব ঝামেলা এড়ানো যায়। চট্টগ্রাম প্রথমবারের মত হওয়ার ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে কিভাবে ক্যাশলেস লেনদেন হবে তা জানা হয়েছে।
যেভাবে হবে ক্যাশলেস লেনদেন : হাটগুলোতে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন করা হবে যেখানে ক্রেতারা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পিওএস (পস মেশিন) এ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, কিউআর কোডের মাধ্যমে অথবা বুথে স্থাপিত এটিএম মেশিন থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন করেও বিক্রেতাকে পশুর মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি ইজারাদারদের কাছে প্রদেয় পশুর হাসিল নগদ অর্থ ছাড়াও ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পিওএস মেশিনে অথবা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। প্রান্তিক খামারি এবং সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের স্বার্থে পাইলট প্রকল্পের অধীনে সম্পাদিত ডিজিটাল লেনদেনে কোনো চার্জ (কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং ক্যাশআউট চার্জ) প্রযোজ্য হবে না।
এ প্রক্রিয়া একদিকে ক্রেতার নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি, নকল বা ছেঁড়া/ফাটা নোট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে এ ব্যবস্থার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পশু বিক্রেতা প্রান্তিক খামারি ও ব্যবসায়ীরা নগদ অর্থ বহন সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্ত হবেন। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ভবিষ্যতে অর্থায়ন, ডিপোজিট সংক্রান্ত অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন, যা সার্বিকভাবে দেশজ অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য হাটেও এ ধরনের উদ্যোগের পথ সুগম হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে দুপুরে মেয়রের কাছে এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক জুলিয়া চৌধুরী ও যুগ্ম পরিচালক সালাহউদ্দীন মাহমুদ। এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজনীয় ভূমি ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। প্রথম বছরের দুইটি বাজারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কাজে লাগানো হবে বলে জানান মেয়র।
যেভাবে হবে ক্যাশলেস লেনদেন : হাটগুলোতে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন করা হবে যেখানে ক্রেতারা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পিওএস (পস মেশিন) এ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, কিউআর কোডের মাধ্যমে অথবা বুথে স্থাপিত এটিএম মেশিন থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন করেও বিক্রেতাকে পশুর মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি ইজারাদারদের কাছে প্রদেয় পশুর হাসিল নগদ অর্থ ছাড়াও ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পিওএস মেশিনে অথবা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। প্রান্তিক খামারি এবং সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের স্বার্থে পাইলট প্রকল্পের অধীনে সম্পাদিত ডিজিটাল লেনদেনে কোনো চার্জ (কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং ক্যাশআউট চার্জ) প্রযোজ্য হবে না।
এ প্রক্রিয়া একদিকে ক্রেতার নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি, নকল বা ছেঁড়া/ফাটা নোট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে এ ব্যবস্থার ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পশু বিক্রেতা প্রান্তিক খামারি ও ব্যবসায়ীরা নগদ অর্থ বহন সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্ত হবেন। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ভবিষ্যতে অর্থায়ন, ডিপোজিট সংক্রান্ত অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন, যা সার্বিকভাবে দেশজ অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য হাটেও এ ধরনের উদ্যোগের পথ সুগম হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ মে দুপুরে মেয়রের কাছে এ সংক্রান্ত পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক জুলিয়া চৌধুরী ও যুগ্ম পরিচালক সালাহউদ্দীন মাহমুদ। এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজনীয় ভূমি ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। প্রথম বছরের দুইটি বাজারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে কাজে লাগানো হবে বলে জানান মেয়র।