ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ইসরায়েলের এক জনপ্রিয় অভিনেতা। হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ বাধার পর সেনাবাহিনীর হয়ে লড়াই করতে গাজায় যান তিনি।
ইদান আমেদি নামের এই অভিনেতা ২০১৭ সালে ইসরায়েলের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘ফওদা’-তে অভিনয় করেছিলেন। সেখানে ইসরায়েলের এক ‘দুর্ধর্ষ সেনার’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি।
৩৫ বছর বয়সী ইদান আমেদি বর্তমানে তেল আবিবের তেল হাসোমের মেডিকেল সেন্টারের আইসিউওতে চিকিৎসাধীন আছেন। তবে এই অভিনেতার বাবা জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেকটা শঙ্কামুক্ত আছেন তার ছেলে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে অভিনেতা ইদান আমেদি।
কুর্দি বংশোদ্ভূত এ ইসরায়েলি ২০১০ সালে গায়ক ও গীতিকার হিসেবে প্রথমে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এরপর ২০১৭ সালে ‘ফওদা’ টিভি সিরিজে অভিনয় করেন। যা নেটফ্লিক্সে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
টিভি সিরিজটিতে তিনি স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের এক সেনার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। যিনি প্রথমে ভেবেছিলেন হামাসের এক কমান্ডারকে তিনি হত্যা করতে সমর্থ হয়েছেন। এরপর তিনি অবসরে যান।
কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারেন সে আসলে জীবিত রয়েছে। এ তথ্য জানার পর অবসর ভেঙে আবারও সেনাবাহিনীতে ফিরে আসেন তিনি এবং হামাসের ওই কমান্ডারকে হত্যার জন্য ছক কষতে থাকেন। এ কাহিনী নিয়েই মূলত গড়ে উঠেছে টিভি সিরিজটি।
গাজায় সত্যিকারের যুদ্ধে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এই অভিনেতা।
৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ অবকাঠামোয় হামলা চালানোর পর স্বেচ্ছায় গাজায় যুদ্ধ করতে যান এ অভিনেতা। কিন্তু সত্যিকার যুদ্ধে গিয়ে হামাসের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে এখন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি।
গত সোমবার গাজায় বোমা বিস্ফোরিত হয়ে একসঙ্গে ইসরায়েলে ৯ সেনা নিহত হন। ওই বোমার আঘাতেই গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি।
বাহরাইনে অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে সব জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। ইরানের সঙ্গে যদি যুদ্ধ বেধে যায় তাহলে বাহরাইনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরে হামলা হতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকে জাহাজ সরিয়ে নিয়েছে মার্কিন নৌ সেনারা।
গাজা উপত্যকা এখন ধ্বংসস্তূপ। পুরো শহরই যেন ধূলায় মিশে গেছে। বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ সরবরাহে রয়েছে প্রবল সংকঠ। অনাহার ঠেকাতে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্গঠন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এরই মাঝে দুই বছরের বেশি সময়ের যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটি এলাকার জন্য একটি ঝকঝকে নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেও
ইরানে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যে ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাতে সায় দেননি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার।