• 23 Jul, 2024

নৌকা মার্কায় ভোট দিলে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়

নৌকা মার্কায় ভোট দিলে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়

দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একমাত্র নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলেই দেশের উন্নতি হয়। কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গেছে। অনেকেই তো ক্ষমতায় ছিল, এই রংপুরের ভাগ্য পরিবর্তনে কেউ কাজ করেনি। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলেই কাজ হয়।

দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একমাত্র নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলেই দেশের উন্নতি হয়। কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গেছে। অনেকেই তো ক্ষমতায় ছিল, এই রংপুরের ভাগ্য পরিবর্তনে কেউ কাজ করেনি। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলেই কাজ হয়।

 

আওয়ামী লীগ সরকারে এলে এই রংপুরে কখনো মঙ্গা হয়নি। রংপুরে কখনো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়নি, দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়নি। নৌকা মার্কায় ভোট দিলে, আওয়ামী লীগ সরকারে এলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়-সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। এ সময় উত্তরবঙ্গের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এ জনসভার মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গ থেকে ফের প্রচারণাও শুরু করলেন তিনি। এ সময় বিগত বছরগুলোতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই আজকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কাজেই ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারও আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হাত উঁচিয়ে নৌকায় ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চাইলে উপস্থিত লাখো মানুষ দুহাত তুলে এবং গগনবিদারী স্লোগানে পুরো রংপুরকে প্রকম্পিত করে নৌকার প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা জানান।

সমাবেশে গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বদলে যাওয়া বাংলাদেশ আরও উন্নত হবে। এখন উন্নয়নশীল দেশ, এর পরে উন্নত দেশ। ডেল্টা প্ল্যান করে দিয়েছি। সব ক্ষেত্রে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলে মানুষের উন্নতি হয়। নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আছে বলেই আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাবে। কাজেই নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারও আপনারা আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন। সেটাই আপনাদের কাছে চাই।

তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের মামলায় শাস্তির প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের দুর্নীতির মামলা, এই মামলা তো আমরা করিনি। তাদের প্রিয় ইয়েস উদ্দিন (ইয়াজউদ্দিন)-ফখরুদ্দিনরা করেছে। সেই মামলায় তারা শাস্তি পেয়েছে। তারা দেশ ধ্বংস করে। আমরা সৃষ্টি করি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া নিজে ফেল করা বলে ভাবে কেউ পাশ করবে না। এজন্য শিক্ষার হার তারা কমিয়ে ফেলেছে। আমরা আবার উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার হার বাড়িয়েছি। আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে দিচ্ছি।

মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বাবার মতো জীবন দিতেও প্রস্তুত : আবেগজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছি। বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের জনগণ-এটাই তো আমার সংসার। এরাই আমার আপনজন। আপনাদের মাঝে খুঁজে পাই বাবা-মায়ের স্নেহ। কাজেই প্রয়োজন হলে এই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বাবার মতো জীবন দিতেও আমি প্রস্তুত। রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি, দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই। তিনি বলেন, যে বাংলাদেশকে এক সময় মানুষ করুণা করত, এখন সেই বাংলাদেশকেই উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে চেনে। এই উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে হবে।

দেশের মানুষ এখন শান্তিতে ভোট দিতে পারে : প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক সংগ্রামের পথ বেয়ে, অনেক আন্দোলন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছি। মানুষ শান্তিমতো এখন ভোট দিতে পারে। এই ভোট দেওয়ার জন্য আমরা ছবিসহ ভোটার তালিকা করেছি, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স করে দিয়েছি। শান্তিপূর্ণভাবে মানুষ যাতে ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা আমরা হাতে নিয়েছি। একটি গোষ্ঠী মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাক। কিন্তু এখানে একটি গোষ্ঠী আছে যারা সব সময় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলে। জাতির পিতাকে হত্যা করে সেই খেলা শুরু হয়েছিল। বারবার ক্ষমতা দখল, হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না- সেটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাক।

আমি এখানে খালি হাতে আসিনি : রংপুর তথা উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের খণ্ডচিত্র তুলে ধরেন রংপুরের পুত্রবধূ ও টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রংপুরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি এখানে খালি হাতে আসিনি। আমি কতগুলো প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। আপনাদের উন্নয়ন যাতে ত্বরান্বিত হয় তার জন্য এগুলো করেছি। বগুড়া-রংপুর-সৈয়দপুর গ্যাসলাইন করছি। আপনাদের দীর্ঘদিনের গ্যাসের দাবি ছিল। আমরা প্রত্যেক এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

আমাদের প্রতিটি কাজের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের উন্নতি ও ভাগ্যের পরিবর্তন। দৃঢ়তার সঙ্গে এ কথা বলতে পারি যে, এই অঞ্চলে আর কখনো দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে না। মঙ্গা দেখা দেবে না। আমরা সেভাবে উন্নয়ন করছি। লালমনিরহাটে বঙ্গবন্ধু এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, একদিন আমাদের মানুষ চাঁদেও যাবে। প্লেন বানাতে পারবে। ২৭টি প্রকল্প উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলো আমি রংপুর বিভাগের জন্য আমার উপহার হিসাবে দিয়ে গেলাম। একসঙ্গে এত প্রকল্প ইতোপূর্বে কোনো সরকার দিতে পারেনি।

এখানকার জমি সোনার জমি : রংপুরবাসীবে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, এখানকার জমি সোনার জমি। ভালো ফসল হয়। সবার কাছে আমার অনুরোধ, আমাদের মাটি আছে। উর্বর মাটি। সোনার ফসল ফলে। আমাদের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। যে যা পারেন চাষ করবেন। আপনারা গাছ লাগাবেন। অন্তত ৪টি করে গাছ লাগাবেন। যার যতটুকু জমি আছে ফসল ফলাবেন। কোনো জমি যেন ফেলে রাখা না হয়। প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাতের মাধ্যমে রংপুর সুগারমিল চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। ভবিষ্যতে রংপুর বিভাগের জন্য একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করারও প্রতিশ্রুতি দেন। রংপুর বিভাগসহ প্রত্যেক বিভাগের জন্য আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি চাই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সবকিছু সমানভাবে উন্নতি হয়। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

করোনা-পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। উন্নত বিশ্বও হিমশিম খাচ্ছে। সবকিছুর দাম বেড়েছে। এই অবস্থায়ও আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছি। আওয়ামী লীগ আসে মানুষের উন্নতি করতে। এই এলাকার আরও উন্নয়নের জন্য প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম। তাছাড়া দেশের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। করে যাব।

আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, এরা কী মানুষের জাত? : বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাস্তায় চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এরা কী মানুষ? এরা মানুষ নয়। ক্ষমতায় থাকতে লুটপাট করেছে। আর ক্ষমতার বাইরে থেকে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। রাস্তাঘাট কেটে দিয়েছে। মানুষ হত্যা করেছে। নতুন রেল কিনেছি পুড়িয়ে দিয়েছে। বাস কিনেছি পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই খালেদা জিয়া ও তার কুপুত্র তারেক জিয়া জ্বালাও-পোড়াও ধ্বংস করতে পারে। এরা মানুষের কল্যাণ করতে জানে না। দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে নিয়ে এখন সেই টাকা ব্যবহার করে যাচ্ছে। কোত্থেকে আসে এত বিলাসিতা, সেটাই আমার প্রশ্ন। দেশের মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

আ.লীগ ছাড়া বাকি কেউ এই রংপুরের উন্নয়নে কাজ করেনি : আওয়ামী লীগের আগে অনেকেই ক্ষমতায় ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাকি কেউ এই রংপুরের উন্নয়নে কাজ করেনি। এই নৌকা মার্কা ক্ষমতায় এলে কাজ হয়। নৌকা মার্কা ছাড়া হয় না। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছেন। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আজকে দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে। হতদরিদ্র মাত্র ৫ শতাংশ। এটাও থাকবে না। যারা এক বেলা খাবার পেত না এখন দুই বেলা, তিন বেলা খাবার সুযোগ হয়েছে। এ দেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ প্রত্যেকের ভাগ্য পরিবর্তনে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। যার সুফল আপনারা পাচ্ছেন, দেশের মানুষ পাচ্ছে।

তিস্তার পানিও পাবেন, ধৈর্য ধরেন : রংপুরবাসীর উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তিস্তার পানি পাবেন। যার নেতৃত্বে গঙ্গার পানি পেয়েছেন, তার নেতৃত্বেই তিস্তার পানিও পাবেন। ধৈর্য ধরেন। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন খেলা হবে। ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে। পারবে না। বিএনপির একদফা খাদে পড়ে গেছে। বিএনপির কোমর ভেঙে গেছে।

খাদে পড়া দলের কোনো দফা বাস্তবায়ন হবে না। তিনি জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, আপনারা বলতে পারেন বিএনপির প্রধান নেতা কে? ওই তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত। মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে লন্ডনে পালিয়েছে। আজকে (বুধবার) আবার কত বছর সাজা হয় কে জানে। খালেদা জিয়াও সাজাপ্রাপ্ত। নির্বাচন করার যোগ্যতা নেই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পালাবে না। এই দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের শক্তি। শেখ হাসিনা, আমরা পালাব না। তারেক রহমান পালিয়েছে। কবে আসবে কে জানে। সাহস নেই। এলেই জেলে যেতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা (বিএনপি) বলছেন রাজপথে ফয়সালা করবেন। আর আমরা রাজপথেও আছি, নির্বাচনেও আছি।

জনসভায় বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান, সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এসএম কামাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, নৌপরিবহণ প্র্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, হুইপ ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা গিনি, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক একেএম শাহাদাত হোসেন বকুল, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিপক কুমার রায়, নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলী, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বক্কর।

এ সময় মঞ্চে সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম ও মাজেদ আলী বাবুল।

আকাশ থেকে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখলেন প্রধানমন্ত্রী : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনাবাদি চরের ৬৫০ একর জমিতে গড়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার অন্যতম বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুর জিলা স্কুল মাঠের সমাবেশ থেকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। বিকালে ঢাকা ফেরার পথে হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি তিনি এক ঝলক দেখেও নেন।