• 15 Jan, 2026

নির্বাচনে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে : দুদু

নির্বাচনে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে : দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যদি কোনরকম ব্যত্যয় ঘটে তাহলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন সেটা বিঘ্নিত হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে।

 পার্শ্ববর্তী একটা দেশ বসেই আছে যেন আমরা ভালো একটি নির্বাচন করে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটাতে না পারি। সেইজন্য আমাদের সজাগ-সতর্ক থাকতে হবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আগামীর নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন কথা বলছে। যার একটি সরকারের সঙ্গে যাদের সব থেকে বেশি সম্পর্ক।  সরকারও নির্বাচনের আগেই তাদের পক্ষে কথা বলেছে। সেই দলটি এনসিপি। তারা বলতে পারে তাদের অবস্থানের কথা। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত। স্বচ্ছ স্বাভাবিক গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই জরুরি। সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই কথা বলা।

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, একটি কথা আমি ডক্টর ইউনূস সাহেবকে বলি। আপনি সেই জায়গায় বসে আছেন... যেই জায়গাটি সারা দেশ, সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে।

দুদু বলেন, বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ বড় কষ্টে আছে। প্রতিদিনই জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের উচিত হচ্ছে তড়িৎ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পায়ে পাশে দাঁড়ানো। যদিও তাদের হাতের সময় এখন কম। তাদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল, পতিত সরকার পারে না এই সরকার পারবে। ১৭-১৮ মাস হয়ে গেল, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিনিসপত্রের দাম শুধু বেড়েছে, কমে নাই। আগামী সরকার আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো পথ আমরা পাচ্ছি না।

তিনি বলেন, একটি জিনিস ভালো নির্বাচনের জন্য আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হতে হবে। কিন্তু সেটিরও লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সেনাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাই মাঠে থাকা অবস্থায় আমার চুয়াডাঙ্গাতেও জীবননগরে একটি ছেলেকে নির্দয় নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হলো।