• 20 Jun, 2024

নানক দুই আর নাছিম চান পাঁচ আসনে মনোনয়ন

নানক দুই আর নাছিম চান পাঁচ আসনে মনোনয়ন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার হয়ে লড়তে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক দুই আসন থেকে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম পাঁচ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের মনোনয়ন বুথের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা বিভাগের বুথের দায়িত্বে থাকা একাধিক নেতা জানান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাই ঢাকা ১৩ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আর বাহাউদ্দিন নাছিম ভাই ঢাকা-৬, ঢাকা-৮, ঢাকা-১৪ আসন এবং মাদারীপুর-২, মাদারীপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

বরিশাল বুথের দায়িত্বে থাকা এক নেতা জানান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাইয়ের পক্ষ থেকে বরিশাল-৫ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যায়, নৌকার মনোনয়ন উৎসবে এখন পর্যন্ত আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের নামে সর্বোচ্চ পাঁচটি মনোনয়ন সংগ্রহ করা হয়েছে।

আ.লীগের ৩৩৬২ মনোনয়ন ফরম বিক্রি, আয় ১৭ কোটি

এদিকে গত চার দিনে মোট ৩৩৬২টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে অনলাইনে ১২১ জন ফরম কিনেছেন। এতে ১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা আয় হয়েছে দলটির।

দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, আগ্রহী প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রশাসনিক বিভাগ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বুথ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৩২৪১ জন। বাকি ১২১ জন অনলাইনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির চারদিনে (১৮-২১ নভেম্বর) কার্যালয় থেকে ঢাকা বিভাগে ৭৩০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫৯টি, সিলেট বিভাগ ১৭২টি, ময়মনসিংহ বিভাগ ২৯৫টি, বরিশাল বিভাগে ২৫৮টি, খুলনা বিভাগে ৪১৬টি, রংপর বিভাগে ৩০২টি ও রাজশাহী বিভাগে ৪০৯টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ঢাকা ১৩ আসন থেকে টানা দুইবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে তৎকালীন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানকে দলীয় মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।

আর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৮ সালে ঐ আসন থেকে মনোনয়ন পান তৎকালীন দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।