ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা-মৃত্যুদণ্ড বন্ধ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা আমলে নিয়ে বিক্ষোভকারীদের হত্যা কিংবা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ করেছে ইরানের সরকারি প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দাবি করেছেন।
পাকিস্তানশাসিত আজাদ কাশ্মির নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উদ্দেশ্যে পাল্টা তোপ দেগেছেন ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, (কাশ্মির ফিরিয়ে আনতে) কে বাধা দিয়েছে? শুধু পাকিস্তানের কাশ্মির নয়, চীনের অধীনে থাকা কাশ্মিরেরও অংশও ফিরিয়ে আনুন।
এমনকি কার্গিল যুদ্ধের সময় কী পাকিস্তানের দখলে থাকা কাশ্মির ফিরিয়ে আনা গিয়েছিল কিনা সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির ভারতের অংশ হলেই সমস্যার সমাধান হবে বলে জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ওমর আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিধানসভায় বিজেপি সদস্যদের তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মিরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে, যা তৎকালীন মহারাজা হরি সিংয়ের সময়কার আকৃতির মতো নয়।
জম্মু ও কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরকে (ভারতে) “ফিরিয়ে আনতে” বিজেপি সরকারকে কে বাধা দিচ্ছে?
লন্ডনে একটি অনুষ্ঠানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাশ্মির সমস্যার সমাধান অনেকটাই হয়ে গেছে। পাকিস্তান কাশ্মিরের যে অংশ “দখল করে রেখেছে” তা ফেরত পেলেই সেখানকার সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়ে যাবে।
এরপরই বিধানসভার অধিবেশনে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন জম্মু ও কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মিরের একটা অংশ পাকিস্তানের কাছে আছে। এখানকার মানচিত্র দেখলেই দেখা যাবে (কাশ্মিরের) আরেকটা অংশ আছে চীনের দখলে। সেটা নিয়ে কেউ কোনও কথা বলছেন না কেন?”

ওমর আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন— পাকিস্তানের কাশ্মীর, যেটা জম্মু ও কাশ্মিরের অংশ তা ফিরিয়ে আনবেন। কে তাদের বাধা দিয়েছে? আমরা কী কখনও বলেছি যে তা ফিরিয়ে আনবেন না। আমরা বলছি, যদি আপনারা ওই অংশ ফিরিয়ে আনতে পারেন তাহলে তা ফিরিয়ে আনুন।”
এরই সঙ্গে কার্গিল যুদ্ধের সময়ে কেন ওই অংশ ফিরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মিরের এই মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া কেন হাজিপার সেক্টরকে পাকিস্তানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জম্মু ও কাশ্মিরের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাজিপারের কথা ছেড়ে দিন, যখন কার্গিল যুদ্ধ হয়েছিল তখন কী পাকিস্তানের দখলে থাকা অংশ ফিরিয়ে আনা গিয়েছিল? সেটা তো পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার একটা সুযোগ ছিল... ওকে, (পারলে) এখন ফিরিয়ে আনুন।”

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুটি দেশ পাকিস্তান ও ভারত বিতর্কিত কাশ্মিরের পুরোটাই দাবি করলেও উভয়েই এর কিছু অংশ শাসন করে থাকে। তারা এই হিমালয় অঞ্চল নিয়ে তিনটি যুদ্ধের মধ্যে দু’টিতে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।
কাশ্মিরকে কেন্দ্র করে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে একাধিকবার যুদ্ধ হয়েছে। এখন উভয়েই পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে, তবে ইতিহাস বলছে, ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান আর ভারত স্বাধীনতা পাওয়ার আগে থেকেই কাশ্মির নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়েছিল।
১৯৪৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের পাশতুন উপজাতীয় বাহিনীগুলোর আক্রমণের মুখে কাশ্মিরের তৎকালীন হিন্দু মহারাজা হরি সিং ভারতে যোগ দেওয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, এবং ভারতের সামরিক সহায়তা পান। পরিণামে ১৯৪৭ সালেই শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ।
এছাড়া ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চীন কাশ্মিরের আকসাই-চিন অংশটির নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে। আর তার পরের বছর পাকিস্তান - কাশ্মিরের ট্রান্স-কারাকোরাম অঞ্চলটি চীনের হাতে ছেড়ে দেয়।
সেই থেকে কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তান, ভারত ও চীন - এই তিন দেশের মধ্যে ভাগ হয়ে আছে।
অন্যদিকে জওহরলাল নেহেরুর সময়ে ভারতীয় সংবিধানে কাশ্মিরকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা ৩৭০ ধারা ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট বাতিল করে ভারত। সেসময় জম্মু ও কাশ্মির রাজ্য পুরোপুরি মুছে ফেলে এটিকে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মির নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা আমলে নিয়ে বিক্ষোভকারীদের হত্যা কিংবা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ করেছে ইরানের সরকারি প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দাবি করেছেন।
ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলন একটি নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে; যা ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির ৪৭ বছরের ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। দেশজুড়ে শহরগুলোতে মানুষ রাস্তায় নেমে আসার পর ইরানি কর্তৃপক্ষ দমনপীড়ন চালালে বিক্ষোভকারীদের সহযোগিতায় দাঁড়াতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘কোয়ান্টিকো’ দিয়ে শুরু হয়েছিল তার বৈশ্বিক জয়যাত্রা। এরপর হলিউডের একাধিক বড় প্রজেক্টে নিজের জাত চিনিয়েছেন। তবে এবার যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে অন্য এক উচ্চতায় পা রাখতে যাচ্ছেন ‘দেশি গার্ল’ খ্যাত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নতুন বছরে তার আগাম বার্তা আসছে ‘দ্য ব্লাফ’। আর সেখানে প্রিয়াঙ্কার বিধ্বংসী লুক রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভক্তদের মনে।