তিনি বলেন, “জয়ের জন্য, আমাদের শত্রুদের হারানোর জন্য যা প্রয়োজন তার সব করব, যার মধ্যে রাফাহও রয়েছে।”
তিনি আরও বলেছেন, “কাছের এবং দূরে অভিযান চালানো নিয়ে আমাদের মধ্যে মত পার্থক্য ছিল। কিন্তু আলোচনার শেষে আমি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।”
দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির আলোচনা চলছে। হামাস জানিয়েছে, তারা ‘ইতিবাচক মনোভাব’ নিয়ে ইসরায়েলের নতুন প্রস্তাবটি বিবেচনা করছে। এরমধ্যেই রাফাহতে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন নেতানিয়াহু।
হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি জিম্মি চুক্তি করতে চায় তাহলে গাজায় যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। যুদ্ধ বন্ধ না করলে তারা কোনো ধরনের চুক্তিতে রাজি হবে না।
গত সপ্তাহে দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদ বিষয়ক ওয়েবসাইট এক্সিউসকে জানান, তারা ধীরে ধীরে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করে দিতে চান।
এরপর ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহাভ গ্যালান্ট জানান, যদি হামাস জিম্মি চুক্তি করে তাহলে রাফাহতে তারা কোনো ধরনের হামলা চালাবেন না।
তবে ইসরায়েলি উগ্রপন্থি অর্থমন্ত্রী বাজালেল স্মোরিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী বেন গিভির হুমকি দেন যদি রাফাহতে হামলা না চালানো হয় তাহলে তারা নেতানিয়াহুর জোট থেকে সরে আসবেন এবং সরকার ভেঙে দেবেন। তাদের হুমকির পরই নেতানিয়াহু জানান, জিম্মি চুক্তি হোক আর না হোক রাফাহতে তারা হামলা চালাবেনই।
সূত্র: আলজাজিরা