• 01 Mar, 2024

এমটিএফই অ্যাপে প্রতারণার শিকার নড়াইলের শত শত মানুষ

এমটিএফই অ্যাপে প্রতারণার শিকার নড়াইলের শত শত মানুষ

অনলাইন অ্যাপ এমটিএফই-এর মাধ্যমে নড়াইলের অসংখ্য মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতারিত হয়েছেন শত শত মানুষ। তবে সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আশঙ্কায় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কিংবা এ নিয়ে তথ্য দিতে চাচ্ছেন না কেউ। ফলে ঠিক কতজনের কাছ থেকে, কী পরিমাণ অর্থ খোয়া গেছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না এই মূহুর্তে।


অনলাইন অ্যাপ এমটিএফই-এর মাধ্যমে নড়াইলের অসংখ্য মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতারিত হয়েছেন শত শত মানুষ। তবে সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আশঙ্কায় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কিংবা এ নিয়ে তথ্য দিতে চাচ্ছেন না কেউ। ফলে ঠিক কতজনের কাছ থেকে, কী পরিমাণ অর্থ খোয়া গেছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না এই মূহুর্তে।

তবে প্রাথমিকভাবে প্রতারণার শিকার অন্তত ৩/৪ জনের সাথে  কথা বলে যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে এই প্রতিষ্ঠানের ফাঁদে পড়ে প্রতারিত হয়েছেন অন্তত নড়াইল জেলার কয়েক শত লোক। আর অন্তত ৩/৪ কোটি টাকা খুইয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এমটিএফই হচ্ছে মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ গ্রুপ নামে একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন বিট কয়েন) ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিনিয়োগকারীদের উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলানো হতো। তবে ক্রিপ্টো ট্রেডিং বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। এমটিএফই দুবাইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা (এমএলএম) মডেলে ব্যবসা করত প্রতিষ্ঠানটি। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বিনিয়োগকারী ছিলেন। এর মধ্যে নড়াইল থেকেই যুক্ত ছিলেন প্রায় ৩শতাধিক মানুষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালিয়ার আর একজন ভুক্তভোগী বলেন, তিনি এ অনলাইন অ্যাপ এমটিএফই-এর মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছেন। গত দুইদিন আগে তার একাউন্টে জিরো ব্যালান্স শো করছে এবং উল্টে ওই কোম্পানি ট্রেডিং লজ দেখিয়ে সমপরিমান অর্থ পুনরায় জমার করার জন্য ক্লেম করছে নইলে আইনি ব্যবস্থারও হুমকি দিচ্ছে।  

কালিয়া পৌর এলাকা আর এক ভুক্তভোগী তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিয়ে এই এমটিএফই-এর ২৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছেন।    

নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার চাঁন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী এক যুবক বলেন, মাসুদ আল ইসলাম নামের এক সিইও’র মাধ্যমে এক ঝুম মিটিংএ যুক্ত হন এমটিএফই এর সাথে। তিনি তার পরিবারের ৪জনসহ মোট ১১ জন যুক্ত আছেন এই এমটিএফই এর সাথে। তিনি এই এমটিএফই এ প্রায় ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা যুক্ত করেছেন।  

একইভাবে সকলকেই ওই কোম্পানি ট্রেডিং লজ দেখিয়ে সকল একাউন্ট হোল্ডারদেও যার যার পূর্বের হিসাবের সমপরিমান অর্থ পুনরায় জমার করার জন্য ক্লেম করছে, নইলে আইনি ব্যবস্থারও হুমকি দিচ্ছে ওই এমটিএফই কর্তৃপক্ষ।