• 21 Apr, 2024

এমপি-প্রশাসনের যোগসাজশে প্রার্থিতা বাতিল, আপিলে ন্যায়বিচার পেয়েছি

এমপি-প্রশাসনের যোগসাজশে প্রার্থিতা বাতিল, আপিলে ন্যায়বিচার পেয়েছি

সিলেট-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের যোগসাজশে আমার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অজুহাত ছিল এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসামঞ্জস্যতা। তবে আজ আমি আপিলে ন্যায়বিচার পেয়েছি।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি হয়। শুনানিতে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পান।

ডা. এহতেশামুল বলেন, আমি সিলেট-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় এবং দল থেকে যখন জানানো হয় স্বতন্ত্র প্রার্থিতা উন্মুক্ত তখন আমি নির্বাচন করার ঘোষণা দিই ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই মনোনয়নপত্র জমা দিই। কিন্তু এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক নয় বলে পারস্পারিক যোগসাজশে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয় সংসদ সদস্য আমার বিরুদ্ধে এখানে একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছিল। কিন্তু আজ আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন আমার মনোনয়নপত্রের বৈধতা দিয়েছেন।

মাঠে অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে, দলীয় প্রার্থী রয়েছে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবেন কি না– জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শেষ পর্যন্ত অবশ্যই নির্বাচনে থাকব, তবে দল যদি কোনো নির্দেশনা দেয় তা মেনে নেব।ডা. এহতেশামুল বলেন, কোন মার্কা বা কোন প্রার্থী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তা নিয়ে আমি কোনো চাপে নেই। আমার কাছে কোনো প্রার্থী বা কোন মার্কা বিবেচ্য নয়। আমার বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থাকা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমি যে মার্কাই পাই না কেন, নির্বাচনে থাকব।

সিলেট-৩ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা করছেন বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আনোয়ার হোসেন আফরোজ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের জাহেদুর রহমান (মাসুম), জাতীয় পার্টির মো. আতিকুর রহমান।

এর আগে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এহতেশামুল হক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী কফিল উদ্দিন ও ইসলামী ঐক্যজোটের মইনুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।