• 01 Mar, 2024

বিএনপির একদফা বিদেশিদের কাছে সমর্থন পায়নি- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বিএনপির একদফা বিদেশিদের কাছে সমর্থন পায়নি- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির এক দফা হচ্ছে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকার গঠন। এটি বাংলাদেশে যেমন হালে পানি পায়নি, বিদেশিদের কাছেও তারা সমর্থন পায়নি।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় চট্টগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ইউজি ক্যাম্পাসে কম্পিউটার সায়েন্স-ব্রিজ প্রোগ্রামের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আশা করেছিল বিদেশি প্রতিনিধিরা এসে একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগের কথা বলবেন, কিন্তু এটা কেউ বলেননি। কারো সঙ্গে কোনো আলাপে প্রসঙ্গটাই আসেনি।

তিনি বলেন, শুধু আলোচনায় এসেছে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এমনকি সবার অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন, সেই কথাটাও আসেনি। অবশ্যই আমরা চাই বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, সবাইকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত বুধবার পল্টনে সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এক দফা ও বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে ৩১ দফা ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত পরশু বিএনপি ঘোষণা করেছিল ১ দফা, পরের দিন দেখলাম ৩১ দফা, আসলে বিএনপির কয় দফা এটা নিয়েই অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির যে এক দফা, এটাও ওনারা কিছুদিন পরপর, বছরান্তেই এক দফা আন্দোলন বলেন। ২০১৩ সাল থেকেই এক দফার আন্দোলন শুনে আসছি। এটি হচ্ছে সাপের খোলস বদলানো এবং একই ঢোল বারবার বাজানোর মতো। সাপ যেমন ক’দিন পরপর খোলস বদলায়, বিএনপিও সাপের খোলস বদলানোর মতো বছরান্তে এক দফার কথা বলে, এতে নতুনত্বের কিছু নেই।

হাছান মাহমুদ বলেন, নতুনত্ব যেটি আছে, সেটি হচ্ছে তারা উম্মুখ হয়ে বসেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যখন আসবেন তখন তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করার, সেটি তারা করেছেনও। বিদেশিদের দেখানোর উদ্দেশ্য ছিল তারা কত বড় সমাবেশ করতে পারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, নয়াপল্টনের সামনে পুরো রাস্তাজুড়ে বড়জোড় ৩০ হাজার মানুষ ধরে। সেখানে না হয় আরো ১০ হাজার আমি যোগ করলাম। এর চেয়ে তো বেশি মানুষ হয়নি সেখানে। আর আওয়ামী লীগ ১২ ঘণ্টার নোটিশে তিনটা রাস্তাজুড়ে লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ করেছে। সবাই দেখেছে কতবড় সমাবেশ আওয়ামী লীগ করার ক্ষমতা রাখে।

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য ডেভিড টেলর, কম্পিউটার সায়েন্স ব্রিজ প্রোগ্রামের পরিচালক অধ্যক্ষ শাম্স ফররুখ আহমেদ ও অনলাইনে ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. রুবানা হক এবং প্রফেসর শাহাদাত হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে কোর্সের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।