১৯৪৬ সালে অবিভক্ত ভারতের লাহোরে জন্ম নেন কবীর বেদী। দীর্ঘ জীবনে বলিউডে নিজেকে নিয়ে গেছেন খ্যাতির চূড়ায়। শুধু ক্যালেন্ডারেই তার বয়স বাড়ে! বাস্তবে তিনি যেন ‘এভারগ্রিন’! ৭০ বছরে চতুর্থ বিয়ে করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। তার চেয়েও বড় চমক তার স্ত্রী মেয়ের থেকেও বয়সে ছোট!
১৯৬৯ সালে তিনি বিয়ে করেন প্রতিমা বেদীকে। তাদের দাম্পত্য ভেঙে যায় ১৯৭৪-এ।
কথিত আছে, পারভিন বাবির সঙ্গে সম্পর্কই কবীর-প্রতিমার বিচ্ছেদের কারণ। যদিও, প্রতিমা নিজে বলেন, তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোনো ভাবেই পারভিন বাবি দায়ী নন।
কবীর-প্রতিমার মেয়ে পূজা বেদী বলিউডের চেনা মুখ। দম্পতির এক ছেলেও ছিলেন। সিদ্ধার্থ বেদী। ১৯৯৭ সালে তিনি বিদেশে আত্মহত্যা করেন মাত্র বাইশ বছর বয়সে।
কবীর-প্রতিমার মেয়ে পূজা বেদী ও ছেলে সিদ্ধার্থ বেদী
প্রতিমার পর কবীর ১৯৮০ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মার্কিন মডেল সুজান হাম্পফ্রে-কে। এই বিয়েও বেশিদিন টেকেনি। ভেঙে যায় ১৯৯০ সালে। কবীর-সুজানের ছেলে অ্যাডাম ইন্দো-মার্কিন বিনোদন দুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয়।
১৯৯১ সালে লন্ডনে কবীরের সঙ্গে আলাপ নিক্কি মুলগাওকরের। বয়সে ২০ বছরের ছোট, রেডিও ও টেলিভিশনের সঞ্চালিকা নিক্কি-কে ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন কবীর। ২০০৫ সালে ভেঙে যায় তাদের দাম্পত্য।
২০১৬ সালে, নিজের ৭০তম জন্মদিনের ঠিক দুদিন আগে তিনি বিয়ে করেন পরভিন দুসাঞ্জকে। কবীরের থেকে পারভিন বয়সে ছাব্বিশ বছরের ছোট। পারভিন দুসাঞ্জ কবীর বেদীর মেয়ে পূজা বেদীর থেকেও বয়সে ছোট।
অরুণাচল প্রদেশ—ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এক বিস্ময়ভূমি, যেখানে পাহাড়, রেইনফরেস্ট, আদিম জনজাতি ও ইতিহাস মিলেমিশে তৈরি করেছে এক রহস্যঘেরা ভূখণ্ড। বহু প্রাচীন রাজবংশ, সীমান্ত যুদ্ধ, তিব্বতি প্রভাব, ব্রিটিশ শাসন এবং আধুনিক ভারতের অংশ হয়ে ওঠার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজও এই রাজ্য নিজের স্বকীয়তা ধরে রেখেছে। প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য সংমিশ্রণ এই অরুণাচল।
বাংলার ইতিহাস মানেই নদীর ইতিহাস। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র কিংবা অসংখ্য শাখা-উপনদী শুধু ভূগোল নয়, গড়ে তুলেছে অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ভিত্তি। নদীপথ ছিল বাংলার প্রাণরেখা—যেখানে চলেছে বাণিজ্য, জন্ম নিয়েছে নগর, বদলেছে সমাজব্যবস্থা। নদীকে ঘিরেই বাংলার মানুষের জীবন, সংগ্রাম ও সমৃদ্ধির অনন্য ইতিহাস আজও প্রবহমান।
নড়াইলে প্রয়াত প্রফেসর মুন্সি মো. হাফিজুর রহমানের স্মরণে এক আবেগঘন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চিত্রা থিয়েটারের আয়োজনে রোববার সন্ধ্যায় নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ চত্বরে সুলতান মঞ্চে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে তাঁর শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবামূলক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বক্তারা। তাঁকে একজন আলোকিত মানুষ ও নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হিসেবে অভিহিত করা হয়।