• 01 Mar, 2024

৩০ বছরেও কেন আমিরের সঙ্গে অভিনয় করেননি অক্ষয়

৩০ বছরেও কেন আমিরের সঙ্গে অভিনয় করেননি অক্ষয়

আশির দশকের শেষের দিকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন আমির খান। এর দুই থেকে তিন বছর পর অভিনয় শুরু করেন অক্ষয় কুমার।

হিন্দি সিনেমার জগতে ৩০ বছরের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির এবং ‘খিলাড়ি’ অক্ষয়। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে কখনও একই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যায়নি দুই অভিনেতাকে। কিন্তু কেন?

বলিপাড়ার একাংশের দাবি, আমিরের সঙ্গে কোনও ছবিতে কাজ করতেই চান না অক্ষয়। এর জন্য আমিরই দায়ী। ১৯৯২ সালে মনসুর খান পরিচালনায় মুক্তি পায় ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ সিনেমা। আমিরের সঙ্গে এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় দীপক তিজোরি, আয়েশা জুলকা এবং পূজা বেদীকে। কিন্তু বিপত্তি ঘটে শেখর মালহোত্রের চরিত্রকে ঘিরে। যে চরিত্রে অভিনয় করেন দীপক। 

জানা যায়, এই চরিত্রের জন্য প্রথমে অক্ষয়কে নির্বাচন করেছিলেন ছবি নির্মাতারা। সেজন্য অডিশনও দেন এই অভিনেতা। কিন্তু অডিশনের পর অক্ষয়কে বাদ দেওয়া হয়। 

এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে অক্ষয় বলেছিলেন, ‘‘আমি ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বাদ দিয়ে দেন ছবি নির্মাতারা। আমাকে জানানো হয় আমি নাকি ভীষণ বাজে অডিশন দিয়েছি, খারাপ অভিনয় করেছি।’’

শেষ পর্যন্ত শেখরের চরিত্রে অভিনয় করেন দীপক। বলিপাড়ার অন্দরমহল থেকে জানা যায়, অক্ষয়কে বাদ দিতে চাননি নির্মাতারা। আমিরই নাকি ছবি নির্মাতাদের অনুরোধ করেছিলেন দীপককে এই চরিত্রে নেওয়ার জন্য।

সূত্রের খবর, তৎকালীন সময়ে আমিরের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব ছিল দীপকের। ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ ছবিতে সহ-অভিনেতা হিসাবে দীপককেই চেয়েছিলেন আমির। সেই অনুযায়ী ছবি নির্মাতাদের অনুরোধ করেন তিনি। এরপরই অক্ষয়কে বাদ দিয়ে নেওয়া হয় দীপককে। অজুহাত হিসাবে খিলাড়ি খ্যাত এই অভিনেতাকে জানানো হয়, তিনি অডিশনে খারাপ অভিনয় করেছেন।

এ ঘটনার পর প্রায় তিন দশক পার হলেও আর কখনো আমিরের সঙ্গে অভিনয় করেননি অক্ষয়। যদিও এ বিষয়ে দুই অভিনেতার কেউই কখনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু বলিউডের অন্যতম সফল দুই তারকার পর্দায় কখনো একসঙ্গে জুটি না বাঁধার কারণ হিসেবে এটাই মনে করেন ভক্ত-অনুরাগীরা। 

‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ ছবিটি মুক্তির পর বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা না করলেও দর্শকদের কাছে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছবি আমিরের ক্যারিয়ারের অন্যতম সাফল্য।