বিজ্ঞাপন

যুদ্ধবিরতির পর নিরাপত্তা তৎপরতা জোরদার: মোদীর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, ব্রহ্মোস ইউনিট উদ্বোধনের অপেক্ষা

  • ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা তৎপরতা জোরদার করেছে ভারত।
  • ড্রোন নজরদারি ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন, যেখানে দেশের প্রতিরক্ষা শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
  • একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের আত্মনির্ভরতার পথে আরেকটি মাইলফলক যুক্ত হচ্ছে, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ইউনিট উদ্বোধনের।
যুদ্ধবিরতির পর নিরাপত্তা তৎপরতা জোরদার: মোদীর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, ব্রহ্মোস ইউনিট উদ্বোধনের অপেক্ষা
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

শনিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে রোববার সকালে ড্রোন শনাক্ত হওয়ার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রোববার সকালে জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর তিন প্রধান।

সূত্রমতে, বৈঠকে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর বর্তমান পরিস্থিতি, শনিবার রাতের ঘটনার মূল্যায়ন এবং সীমান্তে নিরাপত্তা আরও মজবুত করার পদক্ষেপ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। এলওসি বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও, ভবিষ্যৎ যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সতর্কতা অবলম্বন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং শীঘ্রই উত্তর প্রদেশ প্রতিরক্ষা শিল্প করিডোরে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ইউনিট ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে। লখনউতে অবস্থিত এই উৎপাদন কেন্দ্রটি প্রতি বছর ৮০ থেকে ১০০টি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা নিয়ে নির্মিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিং করার প্রস্তুতিও নিচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন