বিজ্ঞাপন

গাজার গণহত্যার সহযোগীদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাথাব্যথা নেই

  • যারা (যুক্তরাষ্ট্র) গাজার গণহত্যার সহযোগী তাদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাথাব্যথা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
  • তিনি বলেন, যারা গাজার গণহত্যা ঘটাচ্ছে, তারা কোথায়, কাকে নিষেধাজ্ঞা দিলো, এটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই।
  • যারা (যুক্তরাষ্ট্র) গাজার গণহত্যার সহযোগী তাদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাথাব্যথা নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যারা গাজার গণহত্যা ঘটাচ্ছে, তারা কোথায়, কাকে নিষেধাজ্ঞা দিলো, এটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই।
গাজার গণহত্যার সহযোগীদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাথাব্যথা নেই
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

বুধবার (২২ মে) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংস্কৃতিক উপকমিটি আয়োজিত ‘সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়’ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফরের নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ডোনাল্ড আসলেন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে। সেখানে আবার তিনি যেতে না যেতেই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। আগে ৭ জনের ওপর, এখন আবার একজন। আমি এই কথাই বলতে চাই, যারা গাজার গণহত্যাকে এবং যারা গণহত্যা ঘটাচ্ছে, তাদের এই নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত ভূমিকাকে গণহত্যা বলতে চায় না, তারা কোথায় কাকে নিষেধাজ্ঞা দিলো তাতে আমাদের কোনও মাথাব্যাথা নেই।

তিনি বলেন, সাড়ে ৩৫ হাজর মানুষকে নির্বিচারে, নিষ্ঠুরভাবে অবিরাম হত্যা করছে গাজায়। ঘোষণা দিয়ে গণহত্যা করছে। হলোকাস্টের সময় ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যার কথা ইতিহাসে আছে। এখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যা করছে, তা হিটলারের চেয়েও ভয়াবহ।

বিজ্ঞাপন

এই গণহত্যার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা প্রটেস্টরদের এভাবে হামলা করে, তাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার... যারা গণহত্যাকে অস্বীকার করে, তারা আমাদের কাকে নিষেধাজ্ঞা, ভীসানীতি দিলো, সেটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই।

সেনাবাহিনী নিজেদের নিয়মে চলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী, কিন্তু তাদের আলাদা নিয়মকানুন আছে। সেখানে যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, সেটা প্রমাণিত হলে কোনও দিনও ছাড় দেওয়ার লোক বঙ্গবন্ধুর কন্যা না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংরক্ষিত আসনে অনেকে প্রার্থী ছিলেন, তাদের না পাওয়ার বেদনা থাকতে পারে। আপনাদের দুদর্শী লিডারশিপ ছিল বলে আমরা সফল হয়েছি। রিজার্ভ সিটের বিপরীতে প্রার্থী ছিল ১৩শ প্লাস। পরিস্থিতি এমন যে কাকে রেখে কাকে দেবো। অনেকে প্রার্থী ছিলেন, অনেকের স্বপ্ন ছিল, আকাঙ্ক্ষা ছিল, এ কারণে দুঃখ পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আগে নারীরা, তরুণরা আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, শেখ হাসিনার ম্যাজিকেল লিডারশিপ এখন তরুণ ও নারীরা এক বাক্যে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন, এটা আমরা লক্ষ্য করেছি।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপকমিটি চেয়ারম্যান মঞ্চ সারথি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, সাবেক সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ ও আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন