বিজ্ঞাপন

হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণায় ৪ কোটি হারালেন তরুণ

  • সামাজিক বা কাজের প্রয়োজনে অনেকেই নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন।
  • ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনা বেড়েই চলেছে।
  • সামাজিক বা কাজের প্রয়োজনে অনেকেই নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটিতে প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনা বেড়েই চলেছে।
হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণায় ৪ কোটি হারালেন তরুণ
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

কয়েকদিন আগেই সিবিআই জানিয়েছে, অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে ১১৭ কোটি টাকা হারিয়েছেন  নেটিজেনরা। এরইমধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে একটি জাল অ্যাপ ডাউনলোড করে ৪ কোটিরও বেশি টাকা খোয়ালেন কেরেলার এক তরুণ। 

জানা গেছে, ওই তরুণ কেরেলা রাজ্যের ত্রিপুনিথুরার বাসিন্দা। তার হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ আসে। সেখানে টোপ দেয়া হয় সহজে বিনিয়োগে বিপুল রিটার্নের। এমন টোপ তিনি গিলেও ফেলেন। মেসেজে দেয়া লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে ফেলেন একটি অ্যাপ। তার পর সেখানে বিনিয়োগ করা শুরু করে দেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় আড়াই মাস ধরে চলছিল বিনিয়োগ। কিন্তু লভ্যাংশের অর্থ কিছুই পাননি তিনি। অনেক চেষ্টা করেও একটি টাকাও তোলা সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। আর তখনই সন্দেহ হতে থাকে আক্রান্ত তরুণের। তিনি দ্রুত সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। দায়ের করেন এফআইআর। ধরা পড়ে এই দীর্ঘ সময় ধরে সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। আর তার পরই সিবিআইয়ের কর্মকর্তারা রীতিমতো চমকে যান। জানা যায়, একই রকমভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ। সব মিলিয়ে প্রতারণার অংকটা ১১৭ কোটি টাকা। 

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্র বলছে, এই প্রতারণাচক্র নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিদেশ থেকে। তবে প্রতারকদের এপিসেন্টার দিল্লি-এনসিআর এলাকা। সব মিলিয়ে ৩ হাজারেরও বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজর রয়েছে সিবিআইয়ের।

বিজ্ঞাপন