বিজ্ঞাপন

এনসিপির ‘মোবাইল ফোনে’ আপত্তি জানাল ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’

  • নির্বাচন কমিশনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মোবাইল ফোন প্রতীক বরাদ্দ চাওয়ায় আপত্তি জানিয়েছে ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’।
  • দলটির নেতাদের দাবি, তারা আগেই একই প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন ও নিবন্ধনের আবেদনে ওই প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।
  • নির্বাচন কমিশনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মোবাইল ফোন প্রতীক বরাদ্দ চাওয়ায় আপত্তি জানিয়েছে ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’। দলটির নেতাদের দাবি, তারা আগেই একই প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন ও নিবন্ধনের আবেদনে ওই প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।
এনসিপির ‘মোবাইল ফোনে’ আপত্তি জানাল ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’
ছবি: নড়াইল কণ্ঠ

জনস্বার্থে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বাবুল হোসেন এক বিবৃতিতে এই আপত্তির কথা জানান। এ সংক্রান্ত একটি আবেদনও ইসির সিনিয়র সচিবের কাছে সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে জমা দেন জনস্বার্থে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শওকত হাসান নছরু ও মো. মামুন হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ।

বাবুল হোসেন বলেন, ‘আমরা নীতিমালা মেনে মোবাইল ফোন প্রতীকের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি। অথচ আমাদের প্রস্তাবিত প্রতীকটি চেয়েছে এনসিপি। সঙ্গত কারণেই আমাদের এতে আপত্তি আছে। কারণ মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে প্রচার-প্রচারণা করে আসছি। নির্বাচন কমিশনও এ ব্যাপারে অবগত আছে। এনসিপিকে মোবাইল প্রতীক বর্জন করা উচিত।’

গত বছরের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র নেতাদের দল এনসিপি ২২ জুন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের আবেদন জমা দেয়। তারা দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়েছেন। বিকল্প প্রতীক হিসেবে চায় মোবাইল ফোন ও কলম।

বিজ্ঞাপন

যদিও ইসির নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তফসিলে প্রতীকের তালিকায় শাপলা রাখা হয়নি। আবার মোবাইল ফোন ও কলম চেয়েও অন্য একাধিক দল ইসিতে আবেদন জমা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন