• 18 Jun, 2024

ঋতুর বৈচিত্রে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ‘কাশফুল’

ঋতুর বৈচিত্রে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ‘কাশফুল’

মাসুম জব্বারী : জেলার মহিষখোলা হাউজিং প্রকল্পের বালুর মাঠের ১৮ একর জায়গা জুড়ে ফুঁটেছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য কাশফুল। ঋতুর বৈচিত্রময় সৌন্দর্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মনের খোরাক মেটানোর পাশাপাশি ভূমিকা রাখছে জেলার খেটে-খাওয়া মানুষের জীবন-জীবিকার।

কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানিয়রা সহ দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই ঘুরতে আসেন মহিষখোলার এই বালুর মাঠে। কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায় অনেককেই।

আলাপ হলো যশোর থেকে আসা মোঃ ফিরোজ সুমন ও আনিকা বিনতে তোয়া দম্পতীর সঙ্গে। তারা বলেন, এ এক অন্য রকম অনুভূতি, কাশফুলের নরম ছোঁয়া আর আবেশে মন ভরে ওঠে, দু’নয়ন মুগ্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে আলাপকালে কয়েক জন বলেন, গ্রামবাংলার চিরো চেনা সেই প্রকৃতি পাল্টে যাচ্ছে দিন-দিন। উজার হচ্ছে গাছপালা, প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারাচ্ছে। প্রকৃতিতে শরৎ এসেছে, তা এই কাশফুল না ফুটলে বুঝা যেতো না। মোঃ জাকারিয়া নামের স্থানীয় এক ব্যাক্তি বলেন, কাশফুল যেমন সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি ফুল ঝড়ে যাওয়ার পর ফুলের এই ডগা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যায় অনেকেই। শুনেছি এই ডগা দিয়ে তারা নাকি ফুলঝাড়– তৈরী করে এবং বাণিজ্যিকভাবে তা বিক্রি করে।

শীত এবং বর্ষাকাল আমাদের দেশে স্পষ্ট ভাবে বোঝা গেলেও অন্যান্য ঋতুর বৈচিত্র্য খুব একটা দেখা যায় না। ঋতুর বৈচিত্র অনুভব করতে হলে গ্রাম-বাংলার প্রকৃতির কোনো বিকল্প নেই। যদিও গ্রাম-বাংলার চিরো চেনা সেই ঋতুর বৈচিত্র্য দিনকে দিন কমে যাচ্ছে। তথাপিও গ্রামের মাঠ, নদ-নদীর চর, বিরানভূমিতে ধবধবে সাদা কাশফুল ফুটলেই বোঝা যায় ঋতুর পরিবর্তন। এ সময় আকাশে ভেসে বেড়ায় খন্ড খন্ড সাদা মেঘ। আর মেঘের ফাঁক গলে দেখা যায় স্বচ্ছ নীলকাশ। ভাদ্র-আশ্বিন এ দুই মাস মিলেমিশে শরৎ ঋতু। প্রকৃতিতে শরৎ আসে নতুন রূপ নিয়ে আর কাশফুল শরৎ ঋতুর রূপ বৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম।