• 24 May, 2024

‘ জনস্বার্থে নড়াইল পৌর উন্নয়ন কাজ চলবে’ -হুইপ মাশরাফী

‘ জনস্বার্থে নড়াইল পৌর উন্নয়ন কাজ চলবে’ -হুইপ মাশরাফী

স্টাফ রিপোর্টার : নড়াইল পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যকার জমিজমা সংক্রান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের যে সমস্যা ছিলো তা নিরসন করলেন নড়াইল-০২ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

রোববার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরাসহ উভয় পরিষদের সদস্যদের সাথে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা রুদ্ধদ্বার সমোঝতা বৈঠক করেন।

nrailknth-marc-0016.jpgপ্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর হুইপ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা সাংবাদিকদের সামনে নড়াইল পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যকার জমিজমা সংক্রান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যার নিরসনের রূপরেখা তুলে ধনের।  

এ সময় তিনি জানান ‘দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে টানপোড়ন চলচ্ছিলো। এইটা আদালতের যে রায় দিবে সেটা আমাদের সকলকে মেনে নিতে হবে। সুতরাং আমরা আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা করবো। কিন্তু ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় যে অর্থটা আসে সেটি একই মন্ত্রণালয় থেকে আসে, অর্থাৎ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে।

তিনি আরও জানান, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে অর্থটা আসে তারা জনসাধারণের স্বার্থে ডেভেলেপমেন্টের কাজ করে উঠে যাবে। আর অভ্যন্তরিন যে বিষয় গুলা আছে সেটা আন্ডারস্ট্যাডিংএর মাধ্যমে যার যার মতো করে বুঝে নিবে। আদালতের রায়ের অপেক্ষা আমরা করবো। কিন্তু যেহেতু অর্থটা আসছে এই অর্থটা যেন নষ্ট না হয় সে জন্য একটা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যার কাছে যে অর্থটা আসবে তারা সে কাজটা করে দেবে। সুতরাং ডেভেলপমেন্ট বাধাগ্রস্থ হবেন ইনশাল্লাহ।’

এ সময় অন্যান্যেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বোস,  পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)  জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার এবং উভয় পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তাবৃন্দ।  

উল্লেখ্য জেলা পরিষদ ও পৌরসভার মধ্যে বিভিন্ন মার্কেট পুকুরের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল যে কারণে পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দিয়ে আদালতে মামলা  করেন পরিষদের চেয়ারম্যান।