• 01 Mar, 2024

ফের নড়াইল জেলা পরিষদের গাছ গোপনে বিক্রির অভিযোগ!

ফের নড়াইল জেলা পরিষদের গাছ গোপনে বিক্রির অভিযোগ!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসকে আড়াল করে পরিষদের এক নির্বাচিত সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজসে কালনা-যশোর সড়কের পাশের গাছ গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

নিয়ম-কানুনের তুয়াক্কা না করে কাটা গাছের মূল অংশ সরিয়ে নেয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে শেখ রাসেল সেতুর পূর্ব-দক্ষিণ প্রান্তে গাছের লগসহ ডাল-পালা ভর্তি একটি নছিম দাড়িয়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। 
 
এ সময় ওই নছিম চালক নড়াইলকণ্ঠকে জানান, মনিরুল সাহেব নামের জেলা পরিষদের একজন অফিসার আমাদেরকে এসব ডনব্রিক্স ভাটায় বিক্রি করে গাছকাটা লেবার বিল দিতে বলেছেন, সে জন্য আমরা নিয়ে যাচ্ছি।  

এ বিষয়টি জানার জন্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুবাস চন্দ্র বোসকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি তাৎক্ষণিক সরেজমিনে এসে নছিমন ভর্তি কাঠ দেখতে পান। এ সময় তিনি নড়াইলকণ্ঠকে জানান, সড়ক পাশে জেলা পরিষদের গাছ কেটে নেয়া বা সরিয়ে নেয়ার জন্য ইতিমধ্যে ফোরলেন সড়ক বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে জায়িছেন। আমরা এতো অল্প সময়ের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া করে সরিয়ে নিতে পারিনি। এ কারনে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি গাছের মুল অংশ জেলা পরিষদ অফিসে নিতে এবং ডাল-পালা বিক্রি করে লেবার ও পরিবহণের দাম মিটাতে বলা হয়েছে। তবে চুরি বা অনিয়ম করে কোন গাছ বিক্রির তথ্য পেলে আমি ব্যবস্থা নেবো।  

এ সময় জেলা পরিষদ অফিসের মনিরুল সাহেব জানান, এ ডাল-পালাসহ গাছের যে কোন অংশ আমার উপস্থিতি নেয়ার কথা। কিন্তু আজকের নছিম করে গাছ নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।

সাজু নামের এক ব্যক্তিসহ স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই রাস্তার গাছ জেলা পরিষদের সদস্য খোকন সাহা  গোপনে বিক্রি করেছেন। আমাদের কাছে তার তথ্য প্রমাণ আছে। এমন অভিযোগ তুলতেই জেলা পরিষদের সদস্য খোকন সাহা সাজু নামের ওই ব্যক্তিকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসের সামনে মারপিট করা হয়। 

ঘটনা স্থলে সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান তুফান মাহমুদ, জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মচারী, বিপ্লব, শামীমসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।  

এ বিষয় সম্পর্কে খোক সাহা বলেন এ সব অভিযোগ সঠিক না। ওরা গাছ বিক্রির ভাগ চাই। আমার নামে মিথ্যা বলেছে।