ট্যাক্সে বেতন, জনগণের সেবা করুন : প্রধানমন্ত্রী

8

জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় আপনাদের বেতন-ভাতা হয়। জনগণ ট্যাক্স দেয় সেবা পাওয়ার জন্য। সেবা দেওয়া প্রতিটি সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব। সেজন্য সেবার মনোভাব নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

গতকাল সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৩’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণসহ ২৫টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি কেবল প্রয়োজনীয় প্রকল্পই গ্রহণ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সমস্যা এবং এর থেকে উত্তরণের কৌশল নির্ধারণে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন’ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সঙ্গে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বহুবিধ কাজের মধ্যে কিছু বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। পতিত জমিতে ফসল ফলাতে হবে। কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি অফিসগুলোয় সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাপ্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত। সরকারি তহবিল ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধন করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতেও জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ সব সুযোগ-সুবিধা আসে। সবাইকে আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করতে হবে। সরকারপ্রধান বলেন, এটাই বাস্তব কথা যে জনগণের সেবক হওয়া; আজকে আমরাও যারা নির্বাচিত প্রতিনিধি যতটুকু সুযোগ-সুবিধা পাই বা আপনারাও সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা হিসেবে যেসব সুযোগ-সুবিধা পান এগুলোর অবদান তো জনগণের। কারণ জনগণের অর্থ ও ট্যাক্সের টাকা দিয়ে কিন্তু সবকিছু চলে। এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা পয়লা ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারী ভাইয়েরা, আপনাদের জনগণের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে এবং জাতীয় স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে। এখন থেকে অতীতের আমলাতান্ত্রিক মনোভাব পরিবর্তন করে নিজেদের জনগণের খাদেম বলে বিবেচনা করতে হবে।’ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা জনপ্রশাসনে কাজ করেন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন, আপনাদের দায়িত্ব অনেক। এখানে একটি কথা মনে রাখতে হবে যে, শুধু একটা চাকরি করা নয়, জনসেবা দেওয়া। সেজন্য আপনারা জানেন, আমি এই মন্ত্রণালয়ের নামটাও পরিবর্তন করে দিয়েছি। এটা আগে ছিল সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। সেটাকে আমি জনপ্রশাসন নাম দিয়েছি। নামেরও একটা তাসির থাকে; নামের সঙ্গে যেন কর্মক্ষেত্র আপনাদের বিস্তৃত হয়। শেখ হাসিনা বলেন, একটা পরিবর্তন আমি দেখেছি আপনাদের মাঝে। আমার বাবাও ক্ষমতায় ছিলেন, তখনও দেখেছি, আমি যখন বিরোধী দলে বা আমি যখন ’৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসি, যখন আমি সারা বাংলাদেশ ঘুরি তখনো দেখেছি। তবে এটুকু আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমি আসার পর থেকে আমাদের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে এই যে জনমুখী হওয়া, জনগণের পাশে দাঁড়ানো, জনগণের সেবা দেওয়ার আন্তরিকতাটা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, আর এটা যদি না হতো আজকে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা যতটুকু কাজ করতে পেরেছি বা সফলতা পেয়েছি সেটা কিন্তু সম্ভব হতো না। আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পাওয়া মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো এবং তাদের মুখের হাসির কথা তুলে ধরে এটা নির্মাণে সংশ্লিষ্টদের কাজের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মানুষের হাসি, আমার মনে হয় এই দোয়াটা আপনারাও পাবেন। একটা মানুষ যার কিছুই ছিল না, সে আজকে একটা ঘর পেয়ে সব পাচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, কাজেই সেভাবে মানুষের সেবায়, জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করে কাজ করবেন। কাজেও সন্তুষ্টি পাবেন, নিজেও আত্মতৃপ্তি পাবেন। তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, আমাদের প্রত্যেকটা পরিকল্পনা আমরা একেবারে তৃণমূল থেকে দেশকে উন্নত করে আনতে চাই এবং সেই প্রচেষ্টাই আমরা চালাচ্ছি। জনমুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে তিনি একটা উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবেন, ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে একেবারে জনমুখী শাসনব্যবস্থা ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে তৃণমূলের জনগণের হাতে ক্ষমতা পৌঁছে দেওয়া। তিনি বলেন, উন্নয়নের দিকনির্দেশনা বা তাঁর (বঙ্গবন্ধুর) যে লক্ষ্য ছিল, একেবারে তৃণমূলের মানুষ তাদের আর্থসামাজিক উন্নতি আর সেভাবেই তিনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি বলতেন এই ঘুণেধরা সমাজ ভেঙে আমি নতুন সমাজ গড়ে তুলব। বিপ্লবের পরে যে বিবর্তন আসে সেই বিবর্তনের ফলে অনেকেই দেখা যায় হঠাৎ করে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে যায়, আবার অনেকে নিচে পড়ে যায়, সেটা যেন না হয় সেই বৈষম্য দূর করা। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য ২ লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে নির্বাচন কমিশনের পাঠানো প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন থেকে বাদ দেওয়ার কারণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার মানুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, আজকের পত্রিকায় দেখলাম আমাদের বিরোধী দলের একজন বলে ফেলেছেন, ইভিএমে ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে কাজেই সেটা পরিকল্পনা কমিশন থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেজন্য বলছে বাংলাদেশ আর্থিক সংকটে। সরকারপ্রধান বলেন, আর্থিক সংকট অবশ্যই বিশ্বব্যাপী আছে, আমাদেরও আছে। কিন্তু এমন পর্যায়ে নাই যে আমরা চলতে পারব না। এই খরচটা এখন এই মুহূর্তে, আমাদের অগ্রাধিকারটা আমাদের তো বিবেচনা করতে হবে।

 

আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখা, মানুষের চিকিৎসা সেবাটা নিশ্চিত রাখা, মানুষের কল্যাণটা আগে দেখা, সেখানেই যত টাকা লাগুক, আবার কৃষিটা উৎপাদন যাতে বাড়ে সেজন্য যা খরচ লাগে আমি সেটা করব। তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের জন্য আমরা পানির মতো টাকা খরচ করেছি। কিন্তু যেগুলো আমাদের এখনই প্রয়োজন নাই সেগুলো আমরা কেন করব? আমাদের তো খরচ করতে হবে আগে মানুষের চাহিদা পূরণ করা, খাদ্য চাহিদা, চিকিৎসা চাহিদা, শিক্ষা চাহিদা এগুলো আগে রক্ষা করা; আমরা সেটাই করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা : ১. খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। পতিত জমিতে ফসল ফলাতে হবে। কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে;

২. নিজেরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং জনগণকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

৩. সরকারি অফিসগুলোয় সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাপ্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত;

৪. সরকারি তহবিল ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধন করতে হবে;

৫. এসডিজি স্থানীয়করণের আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে তৎপরতা জোরদার করতে হবে;

৬. দেশে একজনও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ, ভূমিহীনদের কৃষি খাসজমি বন্দোবস্তসহ সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যেন প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। জমি ও ঘর প্রদানের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে;

৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতে হবে। অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে;

৮. কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রগুলো যেন কার্যকর থাকে তা প্রতিনিয়ত তত্ত্বাবধান করতে হবে;

৯. শিশু-কিশোরদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদের জন্য প্রত্যেক এলাকায় সৃজনশীল চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডও ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে;

১০. নাগরিকদের সুস্থ জীবনাচারের জন্য জেলা ও উপজেলায় পার্ক, খেলার মাঠ প্রভৃতির সংরক্ষণ এবং নতুন পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে;

১১. পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সংগতি রেখে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে উচ্চ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে;

১২. সরকারি দফতরগুলোর ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। নিজ নিজ জেলার সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সাফল্য ওয়েবসাইটে তুলে ধরতে হবে;

১৩. জনসাধারণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ইত্যাদি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে;

১৪. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন কোনোভাবেই অবনতি না হয়, সেদিকে নজরদারি জোরদার করতে হবে;

১৫. মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে;

১৬. মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দূর করতে হবে। নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে জঙ্গিবাদে জড়িত না হয় সেজন্য সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত রাখতে হবে;

১৭. বাল্যবিবাহ, ইভ টিজিং, খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য তৈরি ইত্যাদি অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে;

১৮. বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে, কৃত্রিম সংকট রোধকল্পে ও পণ্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে;

১৯. সরকারি জমি, নদী, বনভূমি, পাহাড়, প্রাকৃতিক জলাশয় প্রভৃতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দিতে হবে;

২০. নিয়মিত নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্য বৃদ্ধি করতে হবে। স্লুইসগেট বা অন্য কোনো কারণে যেন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতার জন্য যেন উৎপাদন ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে;

২১. বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় তাল গাছ রোপণ করতে হবে;

২২. পর্যটনশিল্পের বিকাশ এবং রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তুলতে হবে;

২৩. জেলার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং জেলাভিত্তিক বিখ্যাত পণ্যগুলোর প্রচার, বিপণন এবং ব্র্যান্ডিং করতে হবে;

২৪. জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রেখে সেবার মনোভাব নিয়ে যেন সরকারি দফতরগুলো পরিচালিত হয়, সে লক্ষ্যে মনিটরিং জোরদার করতে হবে;

২৫. জেলার সব সরকারি দফতরের কার্যক্রমগুলো যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে আপনাদের ব্রতী হতে হবে।