মেসি ৩ মাসে পরিবেশের যে ক্ষতি করেছেন, ফরাসিরা ১৫০ বছরেও তা করে না

31

দলগুলোর ব্যক্তিগত বিমানের ব্যবহার ও তাতে হয়ে যাওয়া পরিবেশের ক্ষতি নিয়ে সম্প্রতি কম আলোচনা চলছে না। সবশেষ পিএসজি এই আলোচনা-সমালোচনার শিকার হয়েছে। নিজেদের কার্বন ফুটপ্রিন্টের কারণেই যে এমন সমালোচনার মুখে পড়েছে দলটি তা বলাই বাহুল্য। দলটির তারকা ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসিও এবার পড়েছেন তোপের মুখে।

পছন্দের গন্তব্যে যাওয়ার ক্ষেত্রে গণপরিবহন বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত যানবাহন, বিশেষত ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহার ব্যবহার করার কারণে সম্প্রতি সেলিব্রিটি, বিভিন্ন দল, রাজনীতিবিদ ও অন্যরা পড়েছেন পরিবেশ সচেতনতা কর্মীদের তোপের মুখে। তাদের দাবি এভাবে গণহারে ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহারের ফলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও বেশি ত্বরান্বিত হচ্ছে।

 

এই সমালোচনা পিএসজিকে নিয়েও হচ্ছে বেশ। অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে পিএসজি ব্যক্তিগত বিমানই ব্যবহার করে আসছে অনেক বছর ধরে।

যে কারণে কিছু দিন আগে বেশ প্রশ্নের মুখে পড়েছিল দলটি। এরপর এর জবাবে রসিকতা করে তোপের মুখেও পড়েছিল দলটি। ক্রিস্তোফ গালতিয়ের আর কিলিয়ান এমবাপেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কাছাকাছি অ্যাওয়ে ম্যাচ হলে সেখানে গণপরিবহন ব্যবহারের ভাবনা দলটির আছে কি না। এরপর এর জবাবটা রসিকতা করে দিয়েছিলেন কোচ গালতিয়ের, তখন দেখা যাচ্ছিল কিলিয়ান এমবাপে রীতিমতো হেসেই খুন হয়ে যাচ্ছিলেন!

 

এবার এক গবেষণায় বেরিয়ে এল নতুন তথ্য। যাতে পিএসজির কার্বন ফুটপ্রিন্ট তো বেরিয়ে এসেছেই, মেসির একার কার্বন ফুটপ্রিন্টও বেরিয়ে এসেছে বেশ। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, মেসি তিন মাসে যে পরিমাণ কার্বন ফুটপ্রিন্টের জন্ম দিয়েছেন, তা গড়পড়তা কোনো ফরাসি ১৫০ বছরেও জন্ম দেন না।

সম্প্রতি লেকিপের এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এই তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, গেল জুন, জুলাই আর আগস্ট মাসে মেসির ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহার করা হয়েছে ৫২ বার। এই যাত্রায় ১৫০২ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ হয়েছে বলে দাবি করছে ফরাসি এই সংবাদ মাধ্যম। একজন গড়পড়তা ফরাসির এই পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ করতে সাধারণত লেগে যায় ১৫০ বছরের মতো সময়। সে কারণেই মূলত মেসি এবার পড়ে গেছেন তোপের মুখে।