নড়াইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ!

320

নড়াইলকণ্ঠ ॥ আজ সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ছিলো জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রতিক বরাদ্দের ধার্য্যদিন। সারাদেশের ন্যায় নড়াইলেও যথা নিয়মে প্রতিক বরাদ্দ নেয়ার জন্য চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা ও সাধারণ সদস্য প্রার্থিরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে সকালে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসেন।

সম্মেলন কক্ষে চৌর্দিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকা সত্বেও প্রতিক বরাদ্দ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসের সমর্থক ও বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটুর সমর্থকদের মধ্যে।

হঠাৎ করেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সামনে সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটুর প্রস্তাবক মো. শরিফুল ইসলাম ও সমর্থক সৈয়দ নবাব আলীর ওপর চড়াও হয়ে উঠে সুবাস চন্দ্র বোসের সমর্থকেরা। লিটুর সমর্থনকারি সৈয়দ নবাব আলী মারধরের ঘটনার কথা শিকার করে বলেন, আমি লিটুর সমর্থনকারি, প্রতিক নেয়ার জন্য ডিসি অফিসে আইছিলাম। প্রতিক নিয়ে কথা উঠতে না উঠতেই আমার পাশ থেকে কতিপয় সন্ত্রাসী লোকজন আমাকে মারতে তেড়ে আসে এবং মারধর করে। এমন কি তারা ডিসি অফিস থেকে বের হতে দেবে না। ভোট করতি আইছিস এসব কথা বলে হুমকি ও মারধর করে। পওে আমরা পুলিশ পাহারায় বাড়িতে আসি।

জানা গেছে, বেলা ১১টার সময়ে নড়াইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রতিক বরাদ্দ শুরু হয়। প্রথমে সংরক্ষিত মহিলা ও পরে পুরুষ ওয়ার্ডে শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষের পুর্বপাশে সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটুর প্রস্তাবকারী কাশিপুর ইউনিয়নের সদস্য মোঃ শরিফুল ইসলাম ও সমর্থনকারী নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য সৈয়দ নওয়াব আলী বসে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে আওয়ামীলীগ সমর্থীত প্রার্থী সুবাস চন্দ্র বোসের সমর্থকরা তাদের মারপিট শুরু করে। এতে কমপক্ষে ৮জন আহত হয়। এ সময় তারা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চেয়ার ভাংচুর করে।

অভিযোগ সম্পর্কে অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস জানান, একই প্রতিক চাওয়া নিয়ে লিটুর লোকজনের সাথে আমার লোকজনের সামান্য হাতাহাতি ধাক্কাধাকী হয়।

মারধর সম্পর্কে বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু বলেন, জেলার সর্বোচ্চ নিরাপত্তাস্থল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আমার লোকজনকে মারপিট করা হয়েছে। আমি এ বিষয় সম্পর্কে অভিযোগ করবো নির্বাচন কমিশনে।

মাধরের ঘটনা সম্পর্কে জেলা নির্বাচন অফিসার নিকট জানতে চাইলে তিনি এবিষয়টি এড়িয়ে যান,বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

লিটুর লোকজনের ওপর হামলা ও সম্মেলন কক্ষে চেয়ার ভাংচুরের বিষয়ে ডিসি বলেন, প্রার্থী যদি লিখিত অভিযোগ করে তাহলে আমরা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।