বন্দরে খুনের খেলায় মেতে উঠেছে কাটা সিফাত বাহিনী  ঘটিয়ে চলেছে একের পরএক নৃশংস ঘটনা

19
Bokeh background psd with luxury gold brush stroke border frame

নিজস্ব সংবাদদাতা: বন্দর শাহী মসজিদ এলাকায় একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী বাহিনী সংগঠিত হয়েছে
যার নাম শেখ সিফাত গ্যাং ওরফে কাটা বাহিনী। দীর্ঘ দিন ধরেই এরা এলাকায়
ত্রাসের রাম-রাজত্ব কায়েম করে চলেছে। মাদক ব্যবসা আর অসামাজিক কার্যকলাপ
নিয়ন্ত্রণ করাই এদের প্রধান কাজ। প্রতিদিন কোন না কোনভাবে এরা বন্দর শাহী
মসজিদ,হাফেজীবাগ কলোনী,নূরবাগ
কলোনী,খালপাড়,কোর্টপাড়া,রেললাইন,কলাবাগ,সালেহনগর ও বাড়ইপাড়া এলাকার নিরীহ
মানুষের কাছ থেকে চুরি,ছিনতাই,চাঁদাবাজী ও জোর জুলুম করে টাকা পয়সা কিংবা
মালামাল ছিনিয়ে নেয়। আর কেউ না দিতে চাইলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে
নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এদের কুকর্ম থেকে বন্দর শাহী মসজিদ
এলাকার সামান্য গার্মেন্টসকর্মী ও এক চা বিক্রেতাও রেহাই পায়নি। গত ১৬
আগষ্ট শেখ সিফাত বাহিনী শাহী মসজিদ এলাকার রিফাত,সাজ্জাদ ও বাধনসহ বেশ
কয়েকজনকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ওই ঘটনায় বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ
দাখিল হলেও সিফাত বাহিনীর পেছনে একজন গডফাদারের শেল্টার থাকায় মামলা
নেয়নি পুলিশ। এখন তারা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই ঘটনার রেশ না কাটতেই ১২
সেপ্টেম্বর রাতে একই সন্ত্রাসীরা বাড়ইপাড়া এলাকার নিরীহ ইউনুছ মিয়া ও তার
ছেলে রুহিতসহ হত্যার চেষ্টায় ৪জনকে নৃশংসভাবে কোপায়। আহতদের মধ্যে রুহিতে
মুখের মাড়ি কেটে ৪টি দাঁত বেড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে ২৬৪টি সেলাই দেয়া হয়। এ
ঘটনায় পুলিশ সাখাওয়াত হোসেন পিংকি নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। রুহিতের
পিতা ইউনূছ মিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং ৪৫(০৯)২২ইং।
মামলা দায়ের করলেও তা উঠিয়ে নেয়ার জন্য সন্ত্রাসীরা ইউনূছ মিয়াসহ তার
পরিবারের সদস্যদেরকে হত্যার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদের হুংকারে এবং তবে
শেখ সিফাতসহ অন্যান্য আসামীরা এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় রুহিতসহ আহতদের
পরিবারের সদস্যরা চরম শংকা বিরাজ করছে ও নিরাপত্তাহীণতায় ভুগছে। এই
গ্রæপের প্রত্যেকেরই বয়স ২০ এর নিচে। সিফাত বাহিনী ওরফে কাটা বাহিনীকে এই
মুহুর্তে ঠেকানো না গেলে তারা ভয়ংকর থেকে আরো ভয়ংকর পর্যায়ে উপনীত হবে
বলে সচেতন মহল মনে করছে। তারা র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাব ও
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।