রাজনীতির বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীরা মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে

17

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, রাজনীতি করা মানুষের মৌলিক অধিকারের অংশ। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কী নিয়ম-কানুন করল, সেখানে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাদের (প্রতিষ্ঠান) কী ব্যবস্থা হলো, সেটা প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক দলের বিষয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটা ঠিক করে দেয় না। আমরা কোনো হস্তক্ষেপও করি না।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেকেই অনেক কথা বলেন। কেউ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতি বন্ধ করা উচিত। কেউ বলেন, রাজনৈতিক চর্চা থাকা উচিত। আমরা যদি সচেতন মানুষ চাই, সুনাগরিক, বিশ্ব নাগরিক গড়তে চাই, তাহলে রাজনৈতিক সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সচেতনতা দলীয় রাজনীতি হিসেবে কোনো প্রতিষ্ঠানে থাকবে কী থাকবে না, সেটা ওই প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষার্থীদের সাথে মিলে একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু স্বাভাবিক সুস্থ প্রক্রিয়াকে নিষিদ্ধ করলে সেটার ফলাফলও নেতিবাচক হয়। রাজনীতি যেমন ইতিবাচক জিনিস, দলীয় রাজনীতি করতে গিয়ে ইতিবাচকতা বজায় রাখতে হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি ঘোষণা করেছে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। এরই মধ্যে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য।