মিঠুনের ফিফটির পরও বিপদে বাংলাদেশ

1

জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-২ ব্যবধানে হারের পর ওয়ানডের সিরিজের শুরুটাও হার দিয়ে হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের। জাতীয় দল যেখানে হারের বৃত্তে বন্দি, সেখানে সুবিধা কর‍তে পারছে না উইন্ডিজ সফরে থাকা ‘এ’ দল। প্রথম চার দিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীদের চেপে ধরেছে স্বাগতিকরা।

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ৪৪ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি নিয়ে মোহাম্মদ মিঠুন অপরাজিত ৪২ ও নাঈম অপরাজিত ২৪ রান নিয়ে শুক্রবার দ্বিতীয় দিন শুরু করেন। তবে সেই পার্টনারশিপ আর বেশি টানতে পারেননি দুইজন।

ফিফটি হাঁকিয়ে বিদায় নেন মিঠুন। দিনের দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে এসেই মারকুইনো মিন্ডলের আঘাত, থামে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়কের ইনিংস। এরপর নাঈমকে ২৭ রানে মাথায় লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে মারকুইনো প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে তুলে নেন ৫ উইকেট। রেজাউর রহমান রাজা ব্যক্তিগত ১৩ রানে আউট হতেই ১৬৭ রানে ইনিংস গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের।

পরে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দায়িত্বশীল মেজাজে উইন্ডিজের দুই ওপেনার। বাংলাদেশি বোলাররা উইকেটের কোন সুযোগই তৈরি করতে পারেনি। ত্যাগনারায়ন চন্দরপল আর জেরেমি সোলোজানোর উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭৮ রান। ইনিংসের ৩১তম ওভারে এসে বাংলাদেশ পায় প্রথম উইকেটের দেখা। রাজা বোল্ড করেন ৩২ রান করা সোলোজানোকে।

ফিফটির খুব কাছে থাকতে রান আউটে কাটা পড়ে ৪৮ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় ত্যাগনারায়নকে। তিনে নামা কেসি কার্টিকে শিকারে পরিণত করেন স্পিনার নাঈম। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে যখন কার্টি সাজঘরে ফেরেন তখন উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৩৫ রান

এরপর আর কোন বিপদ ঘটতে দেননি অধিনায়ক জশুয়া ডি সিলভা আর উইকেটকিপার টেভিন ইমলাচ। দুই জনেই বেশ স্বাচ্ছন্দে দিনের খেলা শেষ করে আসেন। সিলভা ১৪ ও ইমলাচ ২৩ রানে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে উইন্ডিজের সংগ্রহ ১৬৫ রান। বাংলাদেশ থেকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ২ রানে পিছিয়ে থাকা স্বাগতিকরা ম্যাচের তৃতীয় দিন দলকে এনে দিতে চাইবেন বড় লিড।

দুটি চার দিনের ম্যাচ আর তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলতে বর্তমানে উইন্ডিজ সফর করছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।