চাঁদা না পেয়ে কর্মচারীকে নির্যাতন, পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার

20

মাসোহারার টাকা না পেয়ে রেস্তোরাঁর কর্মচারীকে নির্যাতন করায় এক পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে রূপগঞ্জের ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু।


এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইলে সড়কের পাশের সুগন্ধা রেস্তোরাঁর এক কর্মচারীকে ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বারেক নির্যাতন করেন। শুক্রবার (২৯ জুলাই) ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মাসোহারার টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য বারেক ওই রেস্তোরাঁর কর্মচারীকে শারীরিক নির্যাতন করেন। রেস্তোরাঁর সিসিটিভির ফুটেজে পুলিশ কর্মকর্তার সেই নির্যাতনের ঘটনা ধরা পড়ে। এরপর সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এএসআই বারেক কর্মচারী সাগরকে মারধর করছেন। এক পর্যায়ে ওই কর্মচারীকে তিনি মারতে মারতে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে নিয়ে যান।


ওই রেস্তোরাঁর একাধিক কর্মচারীর অভিযোগ, প্রতি মাসে ভুলতা ফাঁড়ি পুলিশকে দুই হাজার টাকা করে মাসোহারা দিতে হয় তাদের। কোরবানির ঈদে দোকান বন্ধ ছিল বলে টাকা দিতে দেরি হয়। এতে তিনি ঘটনার দিন দুপুরে এসে টাকা দাবি করেন। এ সময় দোকানে থাকা কর্মচারীরা মহাজন থেকে টাকা নেওয়ার কথা বলেন। এতে ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বারেক তাদের শারীরিক নির্যাতন করেন।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু (অপরাধ ও অপারেশন) বলেন, অভিযুক্ত ভূলতা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই বারেককে পুলিশ সুপারের নির্দেশে শুক্রবার জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও পর্যবেক্ষণসহ তদন্ত চলছে। বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।