খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত

9

 পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। সোমবার (১১ জুলাই) ঈদের দিন পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় বাইরের পর্যটকের চেয়ে স্থানীয় পর্যটকদের বেশি দেখা গেছে।


জেলার বাইরের বহু পর্যটকও ঈদের বাড়তি আনন্দ উপভোগ করতে বেড়াতে ছুটছেন পাহাড়ে।
আগামী কয়েকদিন জেলার বাইরের পর্যটকদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে পর্যটক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

খাগড়াছড়ির আলুটলা, পার্বত্য জেলা পরিষদ পার্কসহ সব কটি পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকের আগমনে পরিপূর্ণ। তবে, সবকিছুকে ছাপিয়ে পর্যটকদের অপার আকর্ষনে টানছে বদলে যাওয়া আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। আলুটিলার লাভ ব্রিজ, রহস্যময় গুহা ও রিছাং ঝর্ণায় যাচ্ছেন অনেকে। জেলা পরিষদ পার্ক, ঝুলন্ত সেতু এবং মায়াবিনীর নয়াভিরাম লেক পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে।

এদিকে রাঙ্গামাটির সাজেক উপত্যকার উদ্দেশে ভ্রমণ পিপাসুরা এখনো আসতে শুরু করেছেন। আগামী দু‘তিনদিন সেখানেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র দেব ত্রিপুরা বলেন, গত কয়েকদিনে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। সামনের কয়েকদিন এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা জানিয়েছেন, ঈদের দিন জেলার বাইরের পর্যটকের সংখ্যা কম থাকলেও এখন তা বাড়ছে। আগামী কয়েকদিনে হোটেল-মোটেলে বুকিং কিছুটা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে টুরিষ্ট পুলিশের সদস্যরা। তারা ইউনিফর্ম ছাড়াও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছেন।

খাগড়াছড়ি টুরিষ্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কাশেম বলেন, পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। রিছাং ঝরনা, আলুটিলা পর্যটন স্পটসহ অন্যান্য স্পটগুলোতে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।