পাকিস্তানি হুরিয়ত নেতার বিরুদ্ধে নারীকে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

3

পাকিস্তানভিত্তিক হুরিয়ত নেতা হামিদ লোনের বিরুদ্ধে এক নারীকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এই নেতা হুরিয়াত কনফারেন্সের প্রতিনিধি এবং ৩০ বছর ধরে পাকিস্তানে বসবাস করছেন।

এদিকে নারী ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর থেকে প্রকাশ্যেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই হুরিয়ত নেতা। শনিবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মিরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য রিয়েল কাশ্মির।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত থেকে আলাদা হয়ে কাশ্মিরের স্বাধীনতার সমর্থক হামিদ লোন। নিজেকে কাশ্মিরি বলে দাবি করলেও গত ৩০ বছর ধরে তিনি পাকিস্তানেই বসবাস করছেন। তবে অসৎ বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই হুরিয়ত নেতা এখন সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

ভারতশাসিত কাশ্মিরের এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নিজের লালসা চরিতার্থ করার জন্য সম্প্রতি এক নারীকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ ওঠে হামিদ লোনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানভিত্তিক এই হুরিয়ত নেতা। মূলত হামিদ লোনের অবৈধ কার্যকলাপের রেকর্ড এতোটাই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে যে, তা নারী লালসা থেকে শুরু করে দুর্নীতি পর্যন্ত পৌঁছেছে।

হামিদ লোন কীভাবে অল্পবয়সী মেয়েদের চুপিসারে অনুসরণ করেন এবং ডেকে পাঠান তা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট মারিয়া ইকবাল তারানা। হামিদ লোনকে ‘নোংরা শকুন’ উল্লেখ করে মারিয়া বলেছেন, তিনি তার ব্ল্যাকমেইলের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।


উল্লেখ্য, পাকিস্তান-শাসিত আজাদ কাশ্মিরের গ্রামীণ নারী ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করেছেন মারিয়া ইকবাল তারানা।